

কেকা একজন সারভাইভার। দুই সন্তানকে নিয়ে জীবনের এক অসম যুদ্ধে নিজেকে সঁপে দেয় সে। স্বামীর স্বেচ্ছাচারীতার কারণে যে জীবনযাপনের মুখোমুখি হয় কেকা সেখানে অবস্থানহেতু স্বামীকে তালাক দেয়াও সম্ভব হয়ে ওঠে না তার। সেটা সামাজিক বা মানবিক কারণে যাই হোক না কেনো। কাহিনীর যাত্রাপথে কেকার জীবনযুদ্ধ শুরু হয় একটা বস্তিতে। গল্পের অন্তরালে চলে আসে আরও অনেক গল্প। কেকার অতীত, রাজনৈতিক জীবন, প্রেম, প্রতিটি অংশই বারবার আসতে থাকে কাহিনীর ফ্ল্যাশব্যাকে। যাদুবাস্তবতার সাথে পরাবাস্তবতার এক মিশ্রন তৈরি হয়। আর এভাবেই বিভিন্ন মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে গল্প এগোতে থাকে।