

শুনলি সব? -হুম। - আচ্ছা মেয়েটা কি মেন্টাল নাকি মানসিক ভাবে জরাগ্রস্ত? -দুটিরই একই অর্থ বন্ধু,ওপাশ থেকে রাফসান বলল। -সে যাই হোক মেয়েটার ইচ্ছা জোনাকির পিঠে মেঘের ওপারে যাবে। যে মেয়েটা আমার সাথে পায়ে পা লাগিয়ে দশহাত ঝগড়া করে সে নাকি এইসব ফালতু জিনিস ইমাজিন করে মানে আনবিলিভাবেল! -দেখ আয়ান,অবিশ্বাস্যের কিছু নেই সব মেয়েরা তো তোর ধারণা মতো হবে না। তাছাড়া সু- ফোনটা কেটে দিল আয়ান। সে বোঝে না তার বেস্ট ফ্রেন্ড তার দলে নাকি ওই মেয়েটার। রাস্তায় তেমন যানজট নেই। রিকশা চলছে পায়রার গতিতে। কপালে থাকা চুলগুলো উড়ে যেতে চাইছে। শীতের শেষ। বসন্ত যেন নোটিফিকেশন দিচ্ছে সবাইকে যে সে আসছে। গাছের নতুন পাতাগুলো যেন হাসছে সেই আনন্দে। কোকিল নিজের কন্ঠের রিয়ারসেল করছে। এমনি সময় হঠাৎ আয়ানের মাথায় টোকা খেল মেয়েটার কথা। নিজ মনে বলতে লাগল সে -আচ্ছা মেয়েটা কি সত্যি জোনাকির সাথে মেঘের ওপারে যেতে চাই? আর যদি যায়ও তাকে সাথে নিবে? আরে এসব আবার হয় নাকি?মেয়েটা একটা সত্যিই পাগল! কথাগুলো নিজে বলেই অজান্তে আনমনে হাসলো আয়ান। পরক্ষনে নিজেকে স্বাভাবিক করে নিলো সে অবাক হয়ে গেলো নিজেই। -আচ্ছা কেন হাসলাম আমি?