

মানুষ সব সময়ই সুন্দরের পূজারী। তাই বলে আপনজনও সুন্দরের জয়গান গাইবে তা কেমন ব্যাপার? কিন্তু মিঠির ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। মিঠি দেখতে অসুন্দর তাই আপনজনরাও ওর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়। ছোটবেলা থেকে ও আপনজনদের বুলিং-এর শিকার হয় যা ওর জীবনে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। মিঠি কি কখনো এই নেতিবাচক প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারবে? সব মা সন্তানের জন্য নিবেদিতপ্রাণ থাকলেও সব সন্তান মায়ের জন্য নিবেদিতপ্রাণ থাকে না। মিঠির জীবনে মায়ের ভূমিকা অপরিসীম। মা, পরিবারের সবার বিপরীতে গিয়ে সব সময় বুক দিয়ে আগলে রেখেছে মিঠিকে। মায়ের শেষ বয়সে মিঠি কি পারবে মায়ের পাশে থেকে মায়ের ছায়া সংগী হতে? মিঠির মায়ের জীবনে মিঠির ভূমিকা কী জানতে হলে পড়ুন "দুহিতা"।
বাস্তবধর্মী গল্প, খুবই ভালো লাগলো।
Read all reviews on the Boitoi app
একটা মেয়ের জীবনকাহিনী। প্রতিটি নারীকে জীবনের পথে কত চড়াই উৎড়াই পার হতে হয়। তারই একটা সফল চিত্রায়ন। লেখিকার জন্য অনেক শুভকামনা।
বইটি যারা পড়েছেন তাদের মতামত কামনা করছি।