

আমাদের মূল শত্রু ২ টা। এই ২ টা আমাদের অন্যায়/হারাম কাজের দিকে নিয়ে যায়। ১. শয়তান & ২. নফস কিন্তু আল্লাহ রমাদানে শয়তানকে শিকল বন্ধী করে রাখেন। তাহলে, যদি আমরা নিজেদেরকে এই রমজানে অন্যায়/হারাম কাজ থেকে বিরত রাখতে না পারি। তাহলে বুঝে নিতে হবে এই হারাম/অন্যায় কাজ শয়তানের প্ররোচনায় হচ্ছে না। প্রকৃত পক্ষে আমি নিজেই আমার নফসের প্ররোচনায় করছি। যেখানে আমি আমার নিজের নফসকেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছি না। সেখানে শয়তানের প্ররোচনায় থেকে কিভাবে নিজেকে রক্ষা করব। এজন্য রমজান মাস আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাদের জন্য বিরাট নেয়ামত। এই রমজানে আমরা সবাই আমাদের নফসের আসল অবস্থা জেনে , সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিয়ে। আমাদের নফসকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারব ইনশাল্লাহ। তখন শয়তানের প্ররোচনা থেকে বেঁচে থাকাও আমাদের জন্য সহজ হবে। আজ এই সংক্ষিপ্ত সিরিজে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিভাবে আমরা এই রমাদানকে আমাদের জীবনের শ্রেষ্ঠ রমাদানে পরিণত করতে পারি। এজন্য আমাদের কয়েকটি পদক্ষেপ নিতে হবে। যেমনঃ ১. এমন কিছু কাজ থেকে নিজেদের বিরত রাখতে হবে, যেগুলো আমাদের রমাদানকে আনপ্রোডাক্টিভ করে। ২. রমজানে এমন কিছু কাজের অভ্যাস তৈরি করতে হবে, যেগুলো আমাদের রমাদানকে প্রোডাক্টিভ করবে। প্রথমে আমরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কিছু অপ্রয়োজনীয় & আনপ্রোডাক্টিভ কাজকে বাদ দিব। এরপর ঐ অপ্রয়োজনীয় & আনপ্রোডাক্টিভ কাজগুলোর যায়গায় এমন কিছু কাজের মাধ্যমে পরিবর্তন করব। যা আমাদের রমাদানকে বরকতময় & প্রোডাক্টিভ করবে ইনশাআল্লাহ। আর সবার শেষে উপরের পদক্ষেপের ভিত্তিতে একজন সাধারণ ছাত্রের রমাদান রুটিন কেমন হতে পারে তার একটা নমুনা রুটিন দেয়ার চেষ্টা করব । এই রুটিনটা থেকে আইডিয়া নিয়ে ছাত্র ছাড়াও চাকরিজীবী, গৃহিণী অনান্য পেশার মানুষরাও নিজের ইচ্ছে মতো রুটিন তৈরি করে নিতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।