

নীলা আলমারি খুলে একগাদা শাড়ি নিয়ে বিছানায় বসে। পেটিকোটের কাছে অনাবৃত ফর্সা পেটে একটা আদুরে ভাঁজ পড়েছে। নীলার চোখমুখে সিদ্ধান্ত নিতে না পারার একটা অনিশ্চয়তা। কোন শাড়িটা পরবে আজ? সবুজ শাড়িটা গায়ের সাথে একটু মেলে ধরে, শাড়িটায় ছোট ছোট সবুজ পাতার কাজ করা। কিন্তু সবুজ পরবে? নাহ, একটা মিষ্টি কালার পরা দরকার। ও খুঁজে পেতে একটা মিষ্টি কালারের শাড়ি বের করে। এবার শাড়িটা ব্লাউজের উপর পেচিয়ে ধরে কোমরের কাছে এসে একটু গুজে দেয়। আয়নার সামনে দাঁড়াতেই চোখেমুখে একটা সন্তুষ্টি ফুটে ওঠে। ওর গায়ের রঙের সাথে যেন মিলে গিয়ে ওকে আরও উজ্জ্বল, গোলাপি দেখাচ্ছে। একটা লাজুক হাসি হাসে। তাহসানের সাথে আজ প্রথম বাইরে কোথাও দেখা হবে, ভাবতেই একটা শিহরণ টের পায় নীলা.. ঠিক এমন করেই নীলা বিবাহবহির্ভূত একটা বিপজ্জনক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। আর যখন ভুলটা বুঝতে পারে ততদিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
সামাজিক ব্যাধিকে খুবই সহজ এবং সাবলীল ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। ব্যক্তিগত অনাচার একটা পরিবারকে কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে তা স্পষ্টভাবেই তুলে ধরেছেন। আপনার লেখা সবসময়ই মূল্যবোধকে উদ্দীপ্ত করে। আন্তরিক শুভকামনা থাকলো।
Read all reviews on the Boitoi app
ভীষণ প্রিয় লেখক। যেমন বিষয় বৈচিত্র তেমন অপূর্ব লেখনী। সব লেখাই উপভোগ্য।
অসাধারণ। পরিবারের এক সংজ্ঞা কি সুন্দর সাবলীল ভাবে লেখক বুঝিয়ে দিলেন। সত্যিই মন ছুঁয়ে গেল। তাঁর সাহিত্য জীবনের উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করি।
সামাজিক গণযোগাযোগ মাধ্যমগুলো যখন আমাদের বই পড়বার সুন্দর অভ্যাসগুলোকে বলতে গেলে ভুলিয়েই দিচ্ছে, সেই সময় একজন লেখক ভীষণ হৃদয়গ্রাহী করে সমসাময়িক, উহু চিরন্তন একটি বিষয়কে নিপুণভাবে এঁকেছেন তার চমৎকার শব্দাবলীতে! এক নিমিষেই শেষ করে ফেলবার মত কিছু একটা কাজ করবে, বইটি পড়তে শুরু করলেই! মানব মনের সবটুকু পড়ে ফেলা যায় না। কেউ স্বীকার করুক বা না করুক, মানুষ মনে মনে হলেও পলিগ্যামাস। মানব মনের দোলাচলকে বাঁধা যায় না কোনো গ্রামার দিয়ে। মানব মনের চলমান লাল-নীল আঁকিবুঁকির প্রকাশ ভীষণ সুন্দর করে বইটিতে এসেছে বলে মনে হয়েছে। অনেক সাদামাটা লেখার ভিড়ে ঝরঝরে সুন্দর লেখার নৈপুণ্য দেখাবার জন্য লেখক অবশ্যই ধন্যবাদ প্রাপ্য! লেখকের জন্য শুভ কামনা 💚