
আচমকা বিয়ের পাঁচ বছরের মাথায় একদিন হুট করেই ডিভোর্স হয়ে যায় অদিতির। তার সাজানো, গুছানো সংসারটা আর নিজের থাকে না। একটা কাগজের বদৌলতে সব তার বেদখল হয়ে যায়। ডিভোর্সের কয়েক মাস পর যখন বাড়ি থেকে আবার অদিতিকে বিয়ে দেয়ার জন্য উঠে পরে লাগে সবাই মিলে, ঠিক তখনই তার জীবনে ফিরে আসে সাহাল। কোথা থেকে ফিরে এলো সে? আর কে এই সাহাল? অদিতির মেজো ভাই সাজিতের বাল্য বন্ধু সাহালের সাথে কোনো ধরনের আয়োজন, আচার-অনুষ্ঠান ছাড়াই আবারও বিয়ে হয় অদিতির। যদিও অদিতির এটা দ্বিতীয় বিয়ে তবে আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে সাহালের কিন্তু এটা প্রথম বিয়ে আর হয়তো এটাই শেষ। কখনো বিয়ে করবে না বলে কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে থাকা সাহাল শাহ আচমকা অদিতিকেই কেন বিয়ে করে ফেললো? তাও কোনো ধরনের আড়ম্বর ছাড়াই? এই যে অদিতির বাধ্য হয়ে, অসুস্থ বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে অনিচ্ছায় তেঁতো মুখ নিয়ে করা বিয়েটা। এই বিয়েটার ভবিষ্যৎ কি? অতীতে একবার বিয়ে হয়েছিল তার, যার পরিণতি ভাবতেও বুকের ভেতর দহণ হয় অদিতির। সাজানো-গুছানো সংসারটা হারাতে হয়েছে তাকে অবেলায়। কিন্তু এবেলায় কি হবে? অতীত ভুলে অদিতি এই পরে পাওয়া সংসারটাকে আপন করে নিতে পারবে তো? আর সাহালের কি হবে? সাহালকে আপন করে নিবে কি সে? নাকি দূরত্ব তাদের মাঝে কঠিন প্রাচীর হয়ে দাঁড়াবে? তবে ভাবনার বিষয় হচ্ছে, সাহালের ঘটনাটা আসলে কি? সে কেনো বিয়ে করলো অদিতিকে? দেখতে সুদর্শন, প্রতিষ্ঠিত, নিজ কাজে পারদর্শী, সুনাম খ্যাত মানুষ সে। তার জন্য তো পাত্রীর ঘাটতি নেই। তাহলে সব ফেলে ডিভোর্স প্রাপ্ত অদিতিকেই কেনো বিয়ে করতে হলো তাকে? কেনো বিয়েটা করলো সে? তার আসল উদ্দেশ্য কি? এই বিয়ের পেছনে কোনো মতলব নেই তো তার? শেষ পর্যন্ত অদিতি পাবে তো একটা সংসার? ভালোবাসার সংসার? সাহাল ও অদিতির গল্পটা ঠিক কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? তাদের সমাপ্তিটা কেমন হবে? নাকি তাদের সংসার চলতেই থাকবে এর কোনো সমাপ্তি হবে না? আর সুখ নামক পাখিটা, সেটা কি ধরা দিবে? কি আছে আসলে সাহাল ও অদিতির নসিবে? একে-অপরের সাথে প্রণয় না বিচ্ছেদ?
""অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল অদিতির সংসার গল্পটি পড়ার কালকে কিনে আজকেই পড়ে শেষ করলাম গল্পটির মধ্যে পারিবারিক সম্পর্কগুলো খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন লেখিকা আপু । সত্যিকারের ভালোবাসার জন্য যেমন অপেক্ষা করা যায় তেমনি জীবনকে একবার দ্বিতীয় সুযোগও দেয়া যায়।নীলয় চরিত্রটি খুবই বাস্তবিক আমাদের আশেপাশে এরম মানুষ থাকে যারা আমাদের মনে চুড়ান্ত আঘাত করে আমাদের ভেঙে চুরমার করে এমন প্রিটেন্ড করে যে এভাবেই সে আমাদের অনেক বড় উপকার করছে। সর্বপরি খুব ভালো লেগেছে।আমি আপুর একজন সাইলেন্ট রিডার প্রথম রিভিউ দিলাম ""
"অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল অদিতির সংসার গল্পটি পড়ার কালকে কিনে আজকেই পড়ে শেষ করলাম গল্পটির মধ্যে পারিবারিক সম্পর্কগুলো খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করেছেন লেখিকা আপু । সত্যিকারের ভালোবাসার জন্য যেমন অপেক্ষা করা যায় তেমনি জীবনকে একবার দ্বিতীয় সুযোগও দেয়া যায়।নীলয় চরিত্রটি খুবই বাস্তবিক আমাদের আশেপাশে এরম মানুষ থাকে যারা আমাদের মনে চুড়ান্ত আঘাত করে আমাদের ভেঙে চুরমার করে এমন প্রিটেন্ড করে যে এভাবেই সে আমাদের অনেক বড় উপকার করছে। সর্বপরি খুব ভালো লেগেছে।আমি আপুর একজন সাইলেন্ট রিডার প্রথম রিভিউ দিলাম "
Read all reviews on the Boitoi app
Golpo ta khub sundor chilo
এই বইটা যখন বের হয়েছে তার পর থেকে আমি অপেক্ষায় ছিলাম কখন কিনে পড়তে পারবো। আলহামদুলিল্লাহ লেখিকা আপু গিফ্ট করায় পড়ার সুযোগ হয়েছে। ইস কি মারাত্মক একটা গল্প ছিল। সাহাল আর অদিতির সাথে সময় টা অনেক ভালো কেটেছে। শুরুর পরে কখন যে শেষ হলো বুঝতেই পারলাম না। শেষ হওয়ার পর আরো আফসোস হয়েছে ইসস আরো কেন বড় হলো না। তাদের কাহিনি যেন পড়লে শেষ করতেই ইচ্ছে করে না। ইতি আপুর লেখা বরাবরই পছন্দের তাই এটা পড়েও আরাম লেগেছে খুব। সাহালের মতো স্বামী তো সব মেয়েরাই চায়। কিন্তু সবাই তো আর পায় না যারা পায় তারা ভাগ্যবতী। অদিতি চরিত্র টাও অনেক ভালো ছিল। বার বার মুগ্ধ হয়েছি। এতো সুন্দর একটা বই লিখার জন্য লেখিকা আপুকে অনেক ধন্যবাদ আরো এমন গল্প আমাদের উপহার দিন এটাই চাই। 💗
অনেক সুন্দর হয়েছে
গল্প-উপন্যাস পড়তে আমার খুবই ভালো লাগে। "অদিতির সংসার" পড়তে পড়তে এতোটাই ডুবে গিয়েছিলাম কখন যে শেষ হয়ে গেল যখন টের পেলাম মনে হচ্ছিল আরেকটু লিখা থাকলে খুব ভালো হতো। তবে যাই হোক লেখা বরাবরই সন্তোষজনক আলহামদুলিল্লাহ্। তালুকদার সাহেবের মেয়ের প্রতি আর তাঁর ছেলেদের তাঁর বোনদের প্রতি ভালোবাসা অনেক বেশি ভালো লেগেছে। তামিমের মতো ভাতিজা আমার মতো ফুপির মনে এতো বেশী ভালোবাসা তৈরি করেছে যে আমিও চাই আমার ভাতিজা এমনি একজন মানুষ হোক যে তার আপনজনদের প্রতি এভাবেই ঢাল হয়ে দাঁড়াবে ইনশাআল্লাহ্। ৫ বছরের সংসার জীবনের এমন একটা কঠিন পরিণতি আসলে যে কোনো মেয়ের পক্ষেই মেনে নেয়ার মতো না। নিজের অনেক বেশি মায়া, আদরের আর ভালোবাসা জিনিস যখন এক মুহুর্তে অন্য কারো হয়ে যায় তখন একটা মেয়ের অবস্থা আসলে কল্পনার বাইরে। নীলয় চরিত্রের ব্যপারে কিছু বলবো না পাঠক পড়লেই জানতে পারবেন। অমির মতো বন্ধু খুব ভাগ্যবানরাই পায়, সহালের কঠিন পরিস্থিতিতে তাকে যেভাবে আগলে রেখেছে তা পাঠকের মনে গভীর ভালবাসা পাবার যোগ্য। এখন আসি সবচেয়ে প্রিয় চরিত্রে, 'সাহাল'। এই চরিত্রটা আমার এতো বেশী পছন্দের যে গভীরভাবে ভালোবাসতে জানে ভালোবাসার মানুষকে প্রাপ্য সম্মান দিয়ে আগলে রাখতে জানে। হোক সে অবিবাহিত বা ডিভোর্সি। আসলে গল্পের মূল চরিত্র অদিতি যাকে কেন্দ্র করে পুরোটা গল্প, আসলে সে খুবই সাধারণ একজন যে সবসময় চেয়েছে তাঁর একটা সংসার হোক নিজের সংসার "অদিতির সংসার"। জীবনের মোড়ে এসে যেভাবে দিতির জীবন চাঁকা ঘুরে গেল সে কি পরেছে তাঁর সংসার নতুন করে সাজাতে নতুন কারো সাথে?? আমার মতো পাঠক ও জানতে পারবে। সবশেষে লেখককে অনেক অনেক ভালোবাসা ও অভিনন্দন খুব সুন্দর গল্প উপহার দেয়ার জন্য। ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ।
আসসালামুআলাইকুম লেখিকা আপা। কিছুক্ষণ আগেই "অদিতির সংসার" পরে শেষ করলাম। আমি বরাবরই নিজের অনুভুতি প্রকাশ করতে বড্ড অপটু। গল্পটা পরে আপনাকে না জানিয়ে পারছিলাম না আসলে। প্রতিটি চরিত্র আমাকে এতোটাই অভিভূত করেছে তা বলার বাইরে। আপনি চমৎকার গুণী একজন মা। আমি এই গল্পের একটা চরিত্রকেও অবহেলা করতে পারিনি। তালুকদার সাহেবের মেয়ের প্রতি ভালোবাসা আমার চোখে পানি এনে দিয়েছে। আর তামিম, ও আমার অনেক অনেক প্রিয় একটা চরিত্র আজ থেকে। আমি আশা করি আপনি অবশ্যই ভবিষ্যৎ এ তামিম কে নিয়ে লিখবেন। ছেলেটাকে এতো মনে ধরেছে বলার বাইরে!! নীলয় আমার মনে আতংক সৃষ্টি করে দিয়েছে, কতোটা নিষ্ঠুর হলে কেও তার স্ত্রীর সাথে প্রতিটা মূহুর্তে টানা ৫ বছর ভালোবাসার অভিনয় করতে পারে। এই পৃথিবীতে নীলয়ের মতো মানুষই বেশি খুঁজে পাওয়া যায়। কয়জনই বা পারে সাহালের মতো এতো তীব্রভাবে ভালোবাসতে,অপেক্ষা করতে? সাহাল মানুষটার জন্য শুরুতে মনটা অনেক পুড়েছে তবে যখন দিতি এসে তার মনের সুপ্ত আকাঙ্খা , এতো বছরের জমানো ভালোবাসা কে কানায় কানায় পূর্ণ করে দিলো তখন নিজের মনই খুশিতে নেচে উঠেছে। সাহাল-অদিতি দুজনেইইই অসাধারণ। আজ আমার এই মন খারাপের দিনে মন ভালো করার অন্যতম ভূমিকাটা আপনি পালন করলেন আপা। আপনাকে অনেক অনেক ভালোবাসা। আমি আসলে কখনোই খুব একটা রিভিউ লিখি না কিন্তু আজ আর না লিখে পারলাম না। ভুল ত্রুটি ক্ষমা করবেন🤍
Mon tai valo hoye gelo aditi r sahal er valobashar golpo pore...
বরাবরের মতোই চমৎকার লেখনী উপহার দেওয়ার জন্য অসংখ্য অসংখ্য শুকরিয়া। গল্পটা পড়ার পরে মিশ্র একটা অনুভূতি কাজ করছিল প্রথমদিকে। অদিতির পরিবারের সদস্যদের বন্ডিং ভীষণ ভীষণ সুন্দর ছিল। বিশেষ করে তামিম চরিত্রটা মন ছুঁয়ে গেছে। আমাদের সমাজে অহরহ অদিতি - নিলয় আছে কিন্তু সাহাল শাহর মতো মানুষের বড়ই অভাব। সবমিলিয়ে গল্পটা ভীষণ ভীষণ সুন্দর ছিল। সাহালের ভালোবাসা খুবই সুন্দর এভাবে ক'জন মানুষ ভালোবাসতে পারে তাই না। সাহাল আর অমির বন্ধুত্ব অসম্ভব সুন্দর। গল্পটা পড়তে গিয়ে ভালো লেগেছে তবে নিলয়ের শেষ পরিণতিটুকু দেখতে পারলে মনটা তৃপ্ত হতো। অবশ্য বাস্তবে নিলয়ের মতো মানুষেরা ঠিকই পার পেয়ে যায় সবখানে। শেষমেষ অদিতির সংসার হলো সাহালের সঙ্গে এটা ভালো লেগেছে। তোমার জন্য ম্যালা ম্যালা ভালোবাসা রইল বোনু ❤️❤️
আবারো সুন্দর একটা গল্প পেলাম💖💖 তোমার লেখাগুলো পড়তে আমার এতো ভালো লাগে যে কি বলবো বুঝতে পারিনা। এ সমাজে নিলয়ে আর অদিতির কোন অভাব নেই তবে একজন সাহালের বরই অভাব। বাস্তবে নিলয়রা এভাবেই পার পেয়ে যায়। তাই অতৃপ্ত মন গল্পে এসব নিলয়দের শায়েস্তা হতে দেখতে চায় সেজন্য একটু অতৃপ্ততা রয়ে গেলো। অনেক অনেক শুভকামনা রইলো তোমার জন্য💖💖💖💖