

ওয়েস্টার্ন আর্জেন্টিনা থেকে ছয়জন যাত্রী নিয়ে রওনা করেছে সেসনা স্কাইহক, ছোট্ট একটা এইট সিটার প্লেন। উদ্দেশ্য রকি মাউন্টেইনের যে অংশ থেকে আজ পর্যন্ত কোনো পর্বতারোহী জীবন্ত ফিরে আসতে পারেনি, সেই অংশটুকু ওপর থেকে জরিপ করে দেখা। সেই দলে ছিল ভিক্টর, ঊনত্রিশ বছর বয়সী মাউন্টেইনিয়ার এবং তার প্রেমিকা সিয়ানাও। প্লেন যখন নেমে এসেছে দশ হাজার ফিট উচ্চতায়, এমন সময় ভিক্টরের মধ্যে সামান্য নড়াচড়া দেখা গেল। সবাইকে অস্ত্রের মুখে ফেলে প্যারাস্যুট দিতে বাধ্য করে প্লেন ক্র্যাশ করিয়ে প্রেমিকা সিয়ানাকে নিয়ে রকি মাউন্টেইনের এক অজানা অংশে নেমে পড়ল পাগলা মাউন্টেইনিয়ার ভিক্টর। আর এখানেই তাদের সাথে দেখা হয়ে গেল সাড়ে ছয় কোটি বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া টেরোসরের। এতদিন পরে এই প্রাণী এখানে কী করছে? আন্দিজের যে অভিশপ্ত এলাকা থেকে কোনো অভিযাত্রী কখনো জীবিত ফিরে আসতে পারে না, সিয়ানা কি পারবে সেখান থেকে জীবিত ফিরে যেতে? সব প্রশ্নের উত্তর পেতে পড়ুন মৌলী আখন্দের ইবুক “বিহঙ্গ”।
"চমৎকার একটা সায়েন্স ফিকশন গল্প। মনে হচ্ছিলো যেন রুদ্ধশ্বাস একটা সিনেমার দৃশ্য। ছোট হলেও গল্পটা খুবই মনোমুগ্ধকর। খুব ভালো লেগেছে।"
চমৎকার একটা সায়েন্স ফিকশন গল্প। মনে হচ্ছিলো যেন রুদ্ধশ্বাস একটা সিনেমার দৃশ্য। ছোট হলেও গল্পটা খুবই মনোমুগ্ধকর। খুব ভালো লেগেছে।
Read all reviews on the Boitoi app
অদ্ভুত সুন্দর একটা সায়েন্স ফিকশন!!চোখের পলকে যেন শেষ হয়ে গেল!! লেখিকার জন্য রইল অনেক অভিনন্দন এবং বিশেষ দোয়া, এমন গল্প যেন আরও বেশি বেশি লিখে আমাদের জন্য। ❤️❤️❤️
চমৎকার গল্প। একদম আনকোরা সায়েন্স ফিকশন। কিন্তু এত দ্রুত শেষ হয়ে গেলো, যে তৃপ্তিই হইলো না।
মনে হচ্ছিল প্রফেসর শংকুর কোন গল্প পড়ছিলাম, ভালো লেগেছে