
প্রতিটি মেয়েই স্বামী-সোহাগী হতে চায়। এ যেন মনের গভীরে নিভৃতে লালন করা এক চিরন্তন বাসনা। ছোট্ট একটা ঘর, সন্ধ্যাবেলার বারান্দায় দু-কাপ ধোঁয়া ওঠা চা, ক্লান্ত দিনের শেষে একটি নির্ভরতার কাঁধ—এসব স্বপ্ন কোনো মেয়েকে আলাদা করে শেখাতে হয় না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো নিজেই তার হৃদয়ে বাসা বাঁধে। তবু সব মেয়ে একরকম নয়। কিছু মেয়ে আছে, যারা “বিয়ে” ও “সংসার” শব্দ দুটির উচ্চারণ শুনলেই নিঃশব্দে পিছিয়ে যায়। ভালোবাসাকে তারা ঘৃণা করে না, বরং ভয় পায়। কারণ বিশ্বাস ভেঙে যাওয়ার গল্পগুলো তারা খুব কাছ থেকে দেখেছে। চারপাশের কিছু মুখোশধারী মানুষের কারণে তারা মনে করতে শিখেছে—সব পুরুষই বুঝি একই রকম। সত্যি কি তাই? পৃথিবীতে এখনও কিছু পুরুষ আছে, যারা ভালোবাসার কথা খুব কম বলে, অথচ প্রতিটি কাজে ভালোবাসার ছাপ রেখে যায়। যারা স্ত্রীর হাত শক্ত করে ধরে রাখার আগে তার ভরসার জায়গাটা হয়ে ওঠে। যারা নিজের ইচ্ছেমতো কাউকে বদলে দিতে চায় না, বরং মানুষটাকে তার নিজের মতো করেই প্রস্ফুটিত হতে সাহায্য করে। এই গল্প তেমনই একজন পুরুষের। আর সেই গল্পের কেন্দ্রবিন্দুতে আছে এক বিরহিনী—যে আয়নার সামনে দাঁড়াতে ভুলে গিয়েছিল। নিজের পছন্দ-অপছন্দের হিসাবও একসময় হারিয়ে ফেলেছিল। কিন্তু একদিন… এক জাদুকর এসে বলেছিল— “নিজের জন্যও একটু বাঁচো, অনিন্দিতা।” সেদিন থেকে বদলে যেতে শুরু করেছে সবকিছু।