

চা_শারমিন সুলতানা চৌধুরী- কী ব্যাপার? আমার চা! ক্লান্তি নিয়ে মোশফেকা খানম উত্তর দিলেন,আজ চা নেই...সদ্য অবসর নেওয়া আনোয়ার সাহেব হেসে বললেন,"কেন?"মোশফেকা গম্ভীর ভাবে তাকালেন,"আমিও অবসরে গেছি,তাই"।
চমৎকার একটি শিক্ষণীয় গল্প। লেখিকাকে অনেক ধন্যবাদ এমন বাস্তবধর্মী চিত্র এত সাবলীলভাবে তুলে ধরার জন্য। অনেক শুভকামনা রইল। ❤️
Read all reviews on the Boitoi app
বইয়ের নাম পড়ে হয়তো ভাববেন সবাই নিছক ছোট্ট কোন ঝগড়া বা খুনসুটির গল্প। আসলে সহজ ও সুন্দরভাবে সমাজের অন্ধকার চিত্র উঠে এসেছে। লেখক অসাধারণভাবে লিখেছেন "পরকীয়া পাপ না আইনত, সম্পর্কের বাইরে কারো সাথে শারীরিক সম্পর্ক রাখাও শাস্তিযোগ্য না। মিউচুয়াল যে।" মানুষের মাঝেই সুর, অসুর সারাজীবন ছিল। এখানে যুগের কোন দোষ নেই। টাকার কাছে সম্পর্ক কিভাবে হেরে যায় সোটা এই গল্প পড়লেই আপনি জানতে পারবেন।
আচ্ছা আমরা কি সত্যি কখনো নিজের জন্য বাঁচি।।প্রতিনিয়ত দায়িত্বের কাছেই তো ঢাকা পড়ে যাচ্ছি।। পার্থক্য হয়তো এইটুকু যে জার্নিটা সবারই আলাদা, কিন্তু উপসংহার কিন্তু একই।।। আচ্ছা আমরা কি কখনো নিজের জন্য কিছু সময় খুঁজে পাই?।।। নাকি প্রতিনিয়ত ভান করে কাটিয়ে দিতে চাই।। আর বাকি ভান বোঝানোর জন্য আছেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলো।। যে যতো বেশি পোস্ট করবে সে ততবেশি সুখী।। আর তার ইনবক্সে ততবেশি চাপ যে তুমি খুব সুখী। আচ্ছা এমন খোঁচা মার্কা কথা শুনতে কি আমাদের খুব ভালো লাগে।। এখন সময় গুলো আর বেশি কঠিন হয়ে যাচ্ছে দিনদিন। আমরা যেন নিজের জন্য নয় বাঁচি সামাজিক মাধ্যম গুলোতে নিজের ভান করা জীবনের জন্য।। আমাদের যে এইগুলো থেকে বের হতে হবে। শারমিন সুলতানা চৌধুরী কে অসংখ্য ধন্যবাদ সমাজের কঠিন সত্য গুলো তুলে ধরার জন্য।। বারবার মনে করিয়ে দেয়ার জন্য জীবন তো একটাই।। আসুন একবার নিজের জন্য বাঁচি।।থ্যাঙ্কিউ আমার লেখিকা কে।। এমন লেখা যা মন কে নাড়িয়ে তোলে তা বারবার চাই।।এমন লেখা পড়ে বারবার ই হারিয়ে যেতে চাই।। সবাই কে অনুরোধ রইলো #চা পড়ার জন্য।। পরিশেষে নিজেকে ভালো রাখুন।।
চা আমার একা খেতে একটুও ভালো লাগে না...কিন্তু যখন একা খেতে হয় অথবা আমার বানানো চা যখন পঁচা হয় আমি শারমিনের গল্প গুলো খুঁজে খুঁজে পড়ি..তাতে করে একা চা খাওয়ার মন্দলাগা আর পঁচা স্বাদটা নিমিষেই নাই হয়ে যায়...সেই চা নিয়েই এই গল্প লেখা...চা কিন্তু মনকে যতই তরতাজা করুক না কেন...গল্পের চা কিন্তু মোটেই তেমন না...বরং গল্পটির প্রতিটি চরিত্র জীবন কে নিয়ে নতুন করে ভাবনার খোরাক জুগিয়েছে...গল্পটিতে পুরাতন ও নতুন যুগের চিন্তাতে যতই তফাৎ থাকুক না কেন... ভালো যে সব যুগেই ভালো আর ভালো করার প্রচেষ্টায় সব সময় ভালই হবে শেষ পর্যন্ত সেইটাই প্রমাণিত...শেষে বলতে হয় "হইয়াও হইলোনা শেষ"...তাই অনুরোধ করি গল্প টা কি একটু বড় করা যায় কিনা ভাবতে.
স্বল্প পরিসরেও যে এত চমৎকার করে জীবনের এতগুলো দিক তুলে ধরা যায় তা এই বইটি না পড়লে হয়ত বুঝতাম না। লেখিকার মুন্সিয়ানা অনবদ্য। তিনি আরও অনেক লিখুন!
ফাঙ্গাস পড়া সমাজের চিত্র খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছো। আরো নতুন লেখার অপেক্ষায় থাকলাম
সাবলীল ভাষায়, সুন্দর ভাবে আমাদের মেয়েদের অবস্থা তুলে ধরা হয়েছে।এক কথায় অসাধারন। আপু এরকম আরো বই চাই।
এত মর্মস্পর্শী করে লেখা বোধহয় শুধু শারমিন সুলতানার পক্ষেই সম্ভব। লেখকের হাতের জাদু অক্ষুণ্ণ থাকুক। মনোমুগ্ধকর এই গল্প পাঠকের জন্য উপহার দেওয়ায় জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও প্রাণ ঢালা ভালোবাসা।