

জন্মেও পরপরই শিশুটিকে ’বটেশ্বরের আসন’ হিসেবে পরিচিত প্রাচীন বটগাছের গোড়ায় কে বা কারা যেন ফেলে যায়। সেখানে একটা কুকুর শিশুটির দিকে এগিয়ে যুায়। আগের রাতে সাপে কাটার পর জীবন ফিরে পায় জেলে সরদার রাখাল রাজা । মানত পূরণ করতে যায় বটেশ্বরের আসনে । সেখানে দেখতে পায় শিশুটিকে এবং একটি কুকুরকে । মনে মনে ভাবে, শিশু রূপে দেবতা এবং তার বাহন এসছে। রাখাল রাজার স্ত্রী বাসনা শিশুটিকে কোলে তুলে নেয়। যমুনা পাড়ের প্রত্যন্ত গ্রামীণ – জনপদে দেবতা নাম নিয়ে বড় হতে থাকে শিশুটি । ‘বেজন্মা’ তকমাটা তার কাছে অদৃষ্টের লিখন হয়ে দাঁড়ায় । জন্মেও পর ভাগ্যদেবীর ছলচাতুরীরেত আশ্রয় হয় বটেশ্বরের আসনে তারপর জেলে সরদার রাখল রাজার বাড়িতে । শেষ পর্যন্ত ছলনাই যেন তার চরম সঙ্গী হয়ে যায়। ঔপন্যাসিক তাঁর লেখনি শক্তির মাধ্যমে যমুনা নদীর ভাঙন- প্রবণ এলাকার মানুষের জীবনকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। ঔপন্যাসিকের খুব সাধারণ বর্ণনায় ‘দেবতার সাথে ছলচাতুরী’ ক্রমশ হয়ে ওঠে গ্রামীণ জীবন ঘনিষ্ঠ এক অনবদ্য উপন্যাস।