

চারদিক অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে গেলে টলমলে জলে কালচে ছায়াও যেন জিয়নকাঠির ছোঁয়ায় জীবনের উন্মেষ খুঁজে পায়; নির্জনতার পলেস্তারা ভেঙে চুরমার হয়ে উড়ে যায় পরিযায়ী পাখির মতো। দিব্যলোকের রুদ্ধতায় কণ্ঠ যখন ক্ষীণ হতে থাকে তখনও জীবনের অনুষঙ্গগুলো স্বপ্নকে ফেরি করে বেড়ায়; নির্জন স্টেশনের ঝিরঝির বৃষ্টি পড়ার শব্দে অনুমিত হয় মেঘের অদ্ভুত শীতলতা। পরিণত রাত একসময় ভোর হলে নতুন গল্পের বুনন শুরু হয়। এমন গল্প বুননের বাগানে আঁজলা ভরা জল নিয়ে পাঠকের তৃষ্ণা মেটাতে ফুটে ওঠে গল্পগ্রন্থ ‘যাপ্যযাত্রা’। বরুণ কুমার বিশ্বাস কবি ও কথাসাহিত্যিক