

চাইল্ড এবিউজ এক ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধি। এর প্রভাব সারা জীবন থেকে যায়। পাশাপাশি সেক্সুয়াল অরিয়েন্টেশন ভুলভাল করে হলে জীবন কোথায় নিয়ে মানুষকে দাঁড় করায় সেই গল্পই থাকছে পারমিতাকে কেউ ভালোবাসেনি বইটিতে। পারমিতা পারেনি সংসার ছেড়ে বেরিয়ে যেতে। ভেবেছে অনেকবার। কিন্তু পারেনি। আসলে সংসার থেকে বের হওয়া খুব এলেবেলে কাজ কিছুতেই না। যাবে কোথায়, এই নিশ্চিত জীবন ছেড়ে ? খাওয়া, পরা, শপিং, সামাজিক মর্যাদা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা কোথায় পাবে ও ? নিজের পায়ে দাঁড়ানো এখনো সব মেয়ের কর্ম নয়। একাডেমিক সার্টিফিকেট থাকলেও সব মেয়ে পারে না নিজের আইডেন্টি তৈরি করতে। এত সহজ না কাজটা। পাশাপাশি শুধুমাত্র একজন বড় অফিসারের স্ত্রী হবার সুবাদে যা যা সুবিধা গত চার বছরে ভোগ করছে ও সেটা থেকে বের হয়ে আসার মত মানসিক দৃঢ়তাও তার নেই। শোপিছের এই জীবনটাই পারমিতার। সবাই ওকে দেখে, ওর দৈহিক সৌন্দর্যের প্রশংসা করে। মুগ্ধতার দৃষ্টিতে ওর শরীরকে মাপে। কিন্তু দিন শেষে কেউই নাই যে ওকে একটু ভালোবাসে। এই শঠতার শুরু তো শুধু বিয়ের পরে না বরং ওর শৈশব কৈশোরের মেয়েবেলার জীবনটা থেকেই। বুক চিঁড়ে একটা দীর্ঘশ্বাস বের হয়ে আসে। বিড় বিড় নিজের মনে বলে ওঠে পারমিতাকে কেউ ভালোবাসেনি।
ভালোবাসা যে/যারা পায়, তাদেরকে অবাক হয়ে দেখি শুধু!
Read all reviews on the Boitoi app
বইটি পড়তে পড়তে কখন শেষ হয়ে গেছে বুঝতেই পারিনি, এতোটাই গল্পের ভিতর মগ্ন হয়ে গিয়েছিলাম, অসম্ভব ভালো লেগেছে বইটি।
মেয়েদের জীবন কি অদ্ভুত, আচ্ছা শরীর টাই কি সব, বেঁচে থাকতে কি অনেক টাকা, পয়সা, ক্ষমতা লাগে। মেয়েরা আসলে যাবে কোথায় .... খুব সাবলীল ভাষায় মাথায় এই প্রশ্ন গুলো রেখে গিয়েছেন। ধন্যবাদ।
অসাধারণ বই।।। অনেক ভালোবাসা ও শুভ কামনা প্রিয় লেখিকা আপুকে।
চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল বইটা। বরাবরের মতোই smooth কাহিনী। খুব অল্প কথায় দাম্পত্য জিবনের অতৃপ্তি, সৌন্দর্যের নেগেটিভ সাইডস, মেয়েদের শারীরিক অতৃপ্তি, মানসিক ভঙ্গুর অবস্থানের মত বড় কিন্তু আলোচনা নিষেধ টাইপের ইস্যুগুলো খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এক কথায় সুখপাঠ্য একটা বই। যা সাইজে ছোট হলেও ভাবনার অনেক খোরাক আছে। শেষ হয়ে গেলেও রেশ রয়ে যায় অনেক্ষণ।
সমাজের অনেক না বলা কথাই এখানে গল্প রূপে চমৎকার করে ফুটিয়ে তুলেছেন মিম্ মি আপু।
একটু অন্যরকম গল্প।সমসাময়িক সময়ের উপযোগী।আমাদের আশেপাশে এত ঘটনা হয়ত অবিরত হচ্ছে কিন্তু আমাদের অজানা।অনেক ভাল লেগেছে গল্পটা
দারুণ।
বরাবরের মতই অসাধারণ।।।।
বইটা একদমে পড়ে শেষ করলাম। এতো তাড়াতাড়ি শেষ হবে ভাবিনি। গল্পে এক রাতের ভাবনায় পারমিতা তার পুরো জীবনটাকে তুলে ধরার চেষ্টা করেছে। একটা মেয়ে যে তার জীবনে কতশতভাবে এবিউজিংয়ের শিকার হতে পারে সেটা চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।