

"ওরে বাবা, বলে ঝুপ করে গোলপাতার ঝাঁপখানা সরিয়ে দিয়েই এক দৌঁড়ে বাইরে এলাম। শ্যামলা বর্ণের এক লম্বাকায় সুঠাম দেহের পুরুষ একটা পুঁটলি হাতে নিয়ে কুঁড়েঘরের দিকেই আসছিল। আমি অবাক চোখে তাকিয়ে বিড়বিড় করে বললাম, এই বনে মানুষ? কে এই লোক? বনমানুষ না জলদস্যু? না-কি অপরাধী দলের নেতা!" প্রেমিকের হাত ধরে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে আসা মীরা, হঠাৎ কেন সুন্দরবনের গহিনে নিজেকে হারিয়ে ফেলল? মীরার দিকে এগিয়ে আসা সুঠাম দেহের সুপুরুষটিই বা কে? মীরা কি আর বেঁচে ফিরতে পারবে তাকে আদ্যোপান্ত ঘিরে রাখা এই সুন্দরবন রহস্য থেকে? মীরার রহস্যময় ভুবনে হারিয়ে যেতে পাঠকদেরকে আমন্ত্রণ জানাই।
চমৎকার একটি গল্প পড়লাম। রহস্যময় গল্প ভালোবাসি ছোট বেলা থেকেই। মীনা শারমিন গত বছর যখন সুন্দরবন ভ্রমণে গিয়ে ছিলো তখন থেকেই অপেক্ষা করছিলাম আমি। অনেক দোয়া ও ভালোবাসা মীনা। ভালো থেকো সবসময়।
Read all reviews on the Boitoi app
এক বসায় শেষ করলাম romantic thriller বাবা মায়ের অমতে প্রেমিকের হাত ধরে পালাতে গিয়ে সুনদরবনে সম্মুখীন হয় নানা বিপদের। শেষ পর্যন্ত কী হবে জানতে পড়ুন ইবুকটি।
"বরং নীরবে-আড়ালে-মনে মনে কেবল ঘৃণার পেছনে চোখের পানি দিয়ে ভালোবাসা-ই পুষে গেছে।" যারা এই লাইন পর্যন্ত পরেছেন তার অবশ্যই বুঝতে পারবেন,কতটুকু আবেগ আনুভূতি নিয়ে এই গল্পটি লিখা হয়েছে। সত্যিকার অর্থে আমি খুব এবং খুবই অবাক হই যখন প্রিয় বান্ধু শারমিন(মিনা শারমিন) এর লিখা কোন বই পড়ি।ছোট বেলা থেকে এক সাথে বেরে ওঠা আমাদের, আমি অবাক হই ও এতো সুন্দর করে গুছিয়ে মনের আবেগ অনুভূতি প্রকাশ করে কিভাবে। আল্লাহ্ তায়লা শারমিনের লিখুনির নৈপন্য আরও বৃদ্ধি করুর এই কামনাই করি।
Khub shundor ❤️
সুন্দরবন রহস্যে মীরা উপন্যাসটি পড়ে সত্যিই অনেক ভালো লেগেছে। লেখিকা মীনা সারমিন আপু খুব সহজ ও সাবলীল ভাবে সুন্দরবন কে তার গল্পে তুলে ধরেছেন। যতক্ষণ গল্পটা পড়েছি ততক্ষণ নিজেকে সুন্দরবনে আবিস্কার করেছি।মীরা এবং ইমরান চরিত্র দুটি কে সত্যিই অসাধারণ লেগেছে।এক কথায় গল্পটি অসাধারণ। সবাইকে অনুরোধ করবো গল্পটি একবার হলে ও পড়ে দেখতে পারেন আশা করি কেউ নিরাশ হবেন না।ধন্যবাদ মীনা শারমিন আপু কে এত সুন্দর একটা গল্প উপহার দেওয়ার জন্য। আমি খুব সুন্দর ভাবে গুছিয়ে হয়তো লিখতে পারিনি, ভুল ত্রুটি ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন। #সুন্দরবন রহস্যে মীরা# #মীনা শারমিন#