

অদ্ভুত সব ঘটনার শুরু টুপুরের জীবনে শৈশবেই। জন্মের চার বছরের মাথায় মা'কে হারায় সে। বাবা বিয়ে করতে দেরী করে না। ছোটবেলায় মা মারা গেলে একজন কন্যা সন্তানের জীবনে যে অভাবনীয় প্রভাব পড়ে , তা সারাজীবন ধরে তাকে বয়ে বেড়াতে হয়। কিশোরী টুপুর কারো সাথে কথা না বলে সারাবেলা খালি বইয়ে গুঁজে পড়ে থাকতো । ভবিষ্যত বলতে পারতো ও। এই দারুন ইনটিউশন ক্ষমতাকে ভয় পেতে শুরু করে বাড়ির সবাই। ফলে আরো একা হয়ে যায় বেচারি। বইয়ের পাশাপাশি ওর ছায়াসঙ্গী ছিল পুতুল টাপুর। এমনকি মেডিকেল কলেজে এসেও পুতুল খেলতো সে। মেধাবী টুপুর মেডিকেল কলেজে পা রাখতেই জীবনে প্রেম ধরা দেয়। জীবন স্বাভাবিক হতে শুরু করে তখন ওর। কিন্তু এমন অদ্ভুত নারীর প্রেমিক পুরুষ আসলে কেমন হয় ? প্রতি প্রফেশনাল এক্সামের আগে টপার টুপুর সব পেপারের সাজেশন শীট তৈরি করে। অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে, এই শীট থেকে 60-70% প্রশ্ন কমন পড়ে। কিভাবে ?ঐ যে বললাম টুপুরের ইনটিউশন ক্ষমতা আছে। আদতে কি ইনটিউশন বলে কিছু আছে কি পৃথিবীতে ? একজন রোগী মারা যায় টুপুরের হাতের উপরে। তারপরই গোছানো টুপুরের জীবনে আবারও ঘটতে শুরু করে অদ্ভুত সব পরিবর্তন। যে পরিবর্তন থেকে টুপুরকে বের করে আনতে প্রেমিক এবং বন্ধুরা দেশ সেরা হিপনোথেরাপিষ্ট ডা. কবীর হাদি স্যারের শরণাপন্ন হতে বাধ্য হয়।
চেষ্টা চালিয়ে যান। ভবিষ্যতে হয়তো আরও ভালো লেখা পাবো।
Read all reviews on the Boitoi app