

ময়মনসিংহের ব্রহ্মপুত্র নদে জেলেদের জালে একটা সুন্দরী তরুণীর লাশ উদ্ধার হয়েছে। লাশের পায়ে কলসি বাঁধা ছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে মেয়েটাকে ধর্ষণের পর গলা টিপে মেরে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ সর্বশক্তি দিয়ে মাঠে নামে, কিন্তু কোনো কুলকিনারা করতে পারে না। এদিকে বছরখানেক আগে শীতলক্ষ্যা নদীতে একটা মেয়েকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছিল। এখানকার থানায় নতুন বদলী হয়ে আসা মেধাবী পুলিশ অফিসার রাহাত এই রেপ এন্ড মার্ডার কেসের তদন্ত করতে গিয়ে একজন ধারাবাহিক খুনীর হদিস পায়। যার খুনের প্যাটার্নগুলো একই রকম, ধর্ষণের পর গলা টিপে মেরে ফেলা হয় ভিকটিমকে। আর লাশের পায়ে কলসি বেঁধে ফেলে দেওয়া হয় নদীতে। রাহাত দুটো খুনকে একই সূত্রে গেঁথে তদন্তে নামে। যতই দিন যায় রাহাত বুঝতে পারে একজন ভয়ংকর সেক্সুয়াল সাইকোপ্যাথ ঘুরে বেড়াচ্ছে নদীপথে। যে কিনা সুযোগ পেলেই পশু হয়ে ওঠে, ধর্ষণের পর খুন করে পালিয়ে যায়। রাহাত কি পারবে এই সাইকোপ্যাথকে খুঁজে বের করতে?
"সুবাস ভাই বরাবরই তার চমৎকার লেখনীর সুবাস ছড়িয়ে দিতে সিদ্ধহস্ত ; আর সেটি যদি হয় কোন জমজমাট থ্রিলার, তাহলে তো কথাই নেই! তার লেখা ওসি রাহাত সিরিজ আমার সবচেয়ে পছন্দের; আর এই সিরিজের অন্যতম লেখা "জলদানব" এও আমরা রাহাত সাহেবের ক্ষুরধার বুদ্ধির কারিশমা দেখতে পাই। যদিও এই গল্পের শুরুতেই আমরা ভিক্টিম এবং অপরাধী উভয়েরই খোঁজ পেয়ে যাই, তবুও ওসি রাহাতের উপস্থিত বুদ্ধি এবং রহস্য সমাধানে দুরন্ত সাহস পাঠককে পুরো গল্পজুড়েই মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখতে বাধ্য। আর গল্পে সেই চিরায়ত সাসপেন্স আর টুইস্ট তো আছেই! আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে তার লেখনীতে অপরাধীর ধূর্ততা ও ছলকৌশল, অর্থাৎ, অফিসার রাহাত যদি বুনো ওল হন, তাহলে অপরাধী যেন বাঘা তেঁতুল। শেষ এরকম "ধরি মাছ না ছুঁই পানি" ধরনের অপরাধী আমি পেয়েছিলাম ভাইয়ার লেখা "কালকূট" এবং "নীল অপরাহ্ন" এই দুটো গল্পে। এরকম ধরনের অপরাধীর বর্ণনা পড়তে থাকলে রীতিমতো গুজবাম্প হতে বাধ্য।"
সুবাস ভাই বরাবরই তার চমৎকার লেখনীর সুবাস ছড়িয়ে দিতে সিদ্ধহস্ত ; আর সেটি যদি হয় কোন জমজমাট থ্রিলার, তাহলে তো কথাই নেই! তার লেখা ওসি রাহাত সিরিজ আমার সবচেয়ে পছন্দের; আর এই সিরিজের অন্যতম লেখা "জলদানব" এও আমরা রাহাত সাহেবের ক্ষুরধার বুদ্ধির কারিশমা দেখতে পাই। যদিও এই গল্পের শুরুতেই আমরা ভিক্টিম এবং অপরাধী উভয়েরই খোঁজ পেয়ে যাই, তবুও ওসি রাহাতের উপস্থিত বুদ্ধি এবং রহস্য সমাধানে দুরন্ত সাহস পাঠককে পুরো গল্পজুড়েই মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখতে বাধ্য। আর গল্পে সেই চিরায়ত সাসপেন্স আর টুইস্ট তো আছেই! আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে তার লেখনীতে অপরাধীর ধূর্ততা ও ছলকৌশল, অর্থাৎ, অফিসার রাহাত যদি বুনো ওল হন, তাহলে অপরাধী যেন বাঘা তেঁতুল। শেষ এরকম "ধরি মাছ না ছুঁই পানি" ধরনের অপরাধী আমি পেয়েছিলাম ভাইয়ার লেখা "কালকূট" এবং "নীল অপরাহ্ন" এই দুটো গল্পে। এরকম ধরনের অপরাধীর বর্ণনা পড়তে থাকলে রীতিমতো গুজবাম্প হতে বাধ্য।
Read all reviews on the Boitoi app
অসম্ভব দারুণ একটা কাহিনী! একবার পড়তে শুরু করে রেখে দেওয়া যায় না। দুর্দান্ত!!!
চমৎকার!
বরাবরের মতোই চমৎকার। টান টান উত্তেজনাপূর্ণ লেখা যা লেখকের লেখনি শৈলী চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।
অনেকদিন পর অসাধারণ একটা থ্রিলার গল্প একটানা পড়ে শেষ করলাম। আপনার প্রত্যেকটি গল্পই সাবলীল ও চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা। অসংখ্য ধন্যবাদ লেখক সাহেবকে এমন একটি গল্প লেখার জন্য।
চমৎকার একটা গল্প। বেশ ভালো লাগলো পড়তে, টানটান থ্রিলার যাকে বলে।
অসাধারণ! তবে আমাদের দেশের পুলিশ যে কতটা ফালতু তা বোঝা গেলো রাহাত ছাড়া বাকী সব পুলিশের চরিত্রে।
চমৎকার একটা থ্রিলার পড়লাম। লেখকের অনেক লেখা আগেও পড়েছি। তবুও প্রতিবার তিনি নতুন স্বাদের গল্প উপহার দেন। একটানে পুরো বই শেষ করেছি। বারবার পড়লেও মনে হচ্ছে পুরানো হবে না।
অনেকদিন পর দুর্দান্ত একটি থ্রিলার পড়লাম,লেখককে ধন্যবাদ।