

বারো বছরের মা মরা মেয়ে জুঁই। উচ্ছল, চঞ্চল মেয়েটা দাদা দাদির কাছেই খুশিমনে বেড়ে উঠছিল। কিন্তু আকস্মিক এক ঘটনা ছোট্ট মেয়েটার জীবনটা তছনছ করে দেয়। আহারে জীবন উপন্যাসটির শুরু জুঁইয়ের বারো বছর বয়সে ঘটে যাওয়া সেই দুঃখজনক ঘটনা দিয়ে। সেই ঘটনার প্রভাব জুঁইয়ের মনোজগৎ একেবারে তোলপাড় করে দেয়। তা থেকে জন্ম নেয় ভয়ঙ্কর এক অভ্যাসের। জীবনের ছোটো বড় সব কষ্ট থেকে ক্ষণিক মুক্তি পেতে জুঁই নিজেই নিজেকে কেটে, ছিঁড়ে রক্তাক্ত করে ফেলে। জুঁইয়ের ভাষায়, "রক্তেই আমার মুক্তি, রক্তেই আমার স্বস্তি"। নিজের মনেই সারাটাক্ষন যুদ্ধ করে করে যৌবনে পা দেয় জুঁই। মানসিকভাবে অসুস্থ এই জুঁইয়ের জীবনে প্রেম, ভালোবাসা, দুঃখ, কষ্ট, ভুল, যৌনতা, রক্তাক্ততা, শঠতা, প্রাচুর্য সবই আছে, শুধু নেই একটু মানসিক প্রশান্তি, শুধু নেই একটু স্বস্তি। মনস্তাত্ত্বিক এই উপন্যাসে জুঁইয়ের মনোজগতের ঘাত-সংঘাতের মধ্যে দিয়েই ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় ওর জীবন। অতীত এবং বর্তমানে দোদুল্যমান সেই জীবন। একটু স্বস্তি আর একটু শান্তির সন্ধানে প্রতিটা মুহূর্ত পার করা সেই জীবন। শেষ পর্যন্ত সেই শান্তির সন্ধান কি মেলে মেয়েটার জীবনে?
এত সুন্দর কেন বইটা? আসিফের দোষ সব!সব দোষ আসিফের। আহারে জেসমিন,আহারে জীবন! এত কষ্ট জেসমিনের!আমি কাঁদছি জেসমিনের জন্য
Read all reviews on the Boitoi app