

কাঁপা কাঁপা ঠোঁটে কবুল বলে শক্ত করে তোমার হাত ধরে গুটি গুটি পায়ে আলতো করে প্রবেশ করতে চাই তোমার ঘরে। কবিতার চার লাইন শুনে রুদ্র মুচকি হেসে বলে, ‘তো ম্যাডাম, কবুল বলার সময় কি আপনার ঠোঁট দুটো কেঁপেছিল?’ ‘বেশি কাঁপেনি। বুঝোই তো, কাঙ্ক্ষিত কোনো কিছু পেলে ভালো লাগার পরিমাণ বেড়ে গিয়ে মানুষ খুশিতে আত্মহারা হয়ে যায়।’ ‘ঠিক আছে, বেশি খুশি হলে আপনি আমার মাঝে হারাবেন। কেমন?’ ‘হুম। জানো রুদ্র, এই ছোট্ট কবিতাটা আমি অনেক আগে লিখেছিলাম। ভেবে রেখেছি যেদিন আমাদের কাবিন হবে, সেদিন তোমাকে পড়ে শোনাবো।’ ‘আচ্ছা। আর কী কী লিখে রেখেছেন ম্যাডাম?’ ‘অনেক কিছু লেখা আছে। ধীরে ধীরে তোমাকে সব পড়ে শোনাবো।’ ‘দেখো তো, আজকে আকাশে চাঁদটা দেখা যাচ্ছে না কেন?’ দীপ্তি আকাশের দিকে তাকিয়ে অবাক হয়ে বলে, ‘তাই তো! চাঁদটা নেই।’ এমন সময় রুদ্র দোলনা থেকে নিচে নেমে দীপ্তির পায়ে নূপুর পড়িয়ে দিয়ে বলে, ‘কারণ আকাশের চাঁদটা আমার চাঁদকে দেখে লজ্জা পেয়ে লুকিয়ে রয়েছে। আমার চাঁদের সৌন্দর্যের কাছে ঐ চাঁদ হার মেনেছে।’ রুদ্রের কথা শুনে দীপ্তি রুদ্রের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে আর মুচকি হাসে। যেন রুদ্রই দীপ্তির জীবনের সবচেয়ে সুন্দর প্রাপ্তি।