

“গতকাল রাতে আনন্দ কটেজের সামনের সড়কে দুজন যুবকের লাশ পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে একজনের পুরো দেহে ধারালো কোনো যন্ত্র দিয়ে খোঁচানোর চিহ্ন দেখা যাচ্ছে। আর অন্যজনের মুখ থেঁতলে দেওয়া হয়েছে বলে চেহারা বোঝা যাচ্ছে না। ভিডিও ফুটেজ দেখে অরোরা যেন আকাশ থেকে পড়ে। কারণ এই দুইজন ছেলেকে সে চেনে। মনে মনে ভাবে, “গতরাতে যারা পথে বাঁধা দেয়, এরা তো সেই ছেলেগুলো। কিন্তু আমি তো শুধু একজনকে আঘাত করেছি। এই আঘাতে তো মরার প্রশ্ন আসে না। তাহলে ঐ দুজনকে কে মারলো?” অরোরা যতটা না অবাক হচ্ছে, তার চেয়েও বেশি ওর মনের ভেতর পৈশাচিক আনন্দ অনুভব করছে। কে দিলো এদের শাস্তি? জানতে হলে পড়তে হবে ই-বুক “আমি সেই নীহারিকা”।