

ঊষা এবং নীরাভের একটি লিখিত চুক্তির নাম ছিল বিয়ে। দুই বছরের বিবাহিত জীবনে প্রথমবারের মতো মা হতে যাচ্ছিলো ঊষা। ঠিক তখন মনে পড়লো শর্ত নং-৬। সে কোনোভাবেই মা হতে পারবে না। হুট করে আবারও এলো নীরাভ—ঊষার অতীতের হাতছানি। ঊষার সমস্ত স্বত্বাকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দিতে। একদিকে এই অপ্রত্যাশিত মাতৃত্বের অনুভূতি, অন্যদিকে ভয়—চুক্তিভঙ্গের। যে গল্পটার নাম: শর্ত নং-৬।
"আপু আপনার লেখা মানে দারুন কিছু, এই গল্পটা পড়ে অনেক ভালো লাগলো। চমৎকার একটি গল্প।"
চমৎকার ,কিন্তু কোরিয়ান ড্রামার ছাপ আছে ।
Read all reviews on the Boitoi app
এত সুন্দর করে সম্পূর্ণ গল্পটা লিখলে। শেষে এসে এই কার্পণ্য কেন বলোতো? আরও দু'টো পৃষ্ঠা বেশী লিখলে কি এমন হতো? সম্পূর্ণ গল্পে দুজনের সম্পর্ক ভিষণ ভাবে ফর্মাল থেকে গেছে। অন্তত শেষে এসে আরও একটু ব্যাক্তগত আলাপ থাকলে কি এমন হতো?
এক কথায় অসাধারণ
আচ্ছা কিছু পয়েন্ট ক্লিয়ার করলে ভালো হয় আমি আসলে বুঝতে পারছি না। ১. চুক্তি টা কি জন্য? বিজনেস এর জন্য বিয়ের চুক্তি কেন? ২. চুক্তি পত্র যদি নীরাভ বানিয়ে থাকে তাহলে বাচ্চা না নেয়ার শর্ত কেন?
গল্পের কাহিনী ভীষণ ভালো লেগেছে তবে গল্প ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনেক ভুল আছে....লেখিকা আপু আশা করছি এই দিকটায় একটু লক্ষ্য রাখবেন।
উষা কে পড়ে মনটা ভিষণ খারাপ ছিলো।একসাথে পড়তে পারছিলাম না এত কষ্ট হচ্ছিলো। কিন্তু শেষটা পুরাই ঘুরে গেলো।চমৎকার ছিলো।
অনেক বিশয় পরিস্কার হলোনা ।নিরভের বাবা কেনো মানলো? ওদের মাঝে সবকিছু বড্ড ফর্মাল একটু কথপোকথন হলে ভালো হতো। আর আভা মেয়েটা খারাপ জেনেও কি করে নির্ভয় ওর সাথে সম্পর্কে গেলো? একটু বড় হলে আরো ভালো লাগত।
অসাধারণ
আপু আপনার লেখা মানে দারুন কিছু, এই গল্পটা পড়ে অনেক ভালো লাগলো। চমৎকার একটি গল্প।
গল্পটা এমনি তেই ইন্টারেস্টিং ছিল, কিন্তু আমার কষ্ট লাগছিল শুরু থেকে শেষ অবধি। শুরুতেই কষ্ট লাগলো যে নীরব আর ঊষা ভালো বন্ধু ছিল, শুধু মাত্র বাইরের একটা মেয়ে এসে দুইজনকে এত সহজে আলাদা করে দিল? তার মধ্যে নীরবও কী করে আভা’র প্রেমে পড়ে গেল? যেখানে ঊষার সাথে ওর ভালো বন্ধন ছিল, শুধু মাত্র ওর বাবা মানা করল তাই ও গুটিয়ে নিল নিজেকে? শুরুতেই ও ভুল করেছিল, এই ধোঁকাবাজ মেয়েকে এত সহজে গুরুত্ব দিল, এটা আমি মানতে পারছি না। আর শেষের দিকে ঊষাকে যে বললো ওর ভালোবাসায় পড়ে গেছিল, তো আর একটু যদি বর্ণনা করত যে সে প্রথমে ভুল কাউকে পছন্দ করেছিল, সেটা ঠিক হয়নি—একটু অপূর্ণ লাগল। আর একটু যদি ওদের মধ্যে কথা-বার্তা থাকত, তাহলে আমার কাছে ভালো লাগত।