

মেয়েরা তাদের প্রিয় পুরুষকে দেখতে পেলেই খুশিতে আত্মহারা হয়ে যায়, কী করবে ভেবে পায় না। সাহিত্যের ভাষায় বলতে গেলে, তাদের গাল দুটো পাকা টমেটোর মতো লাল হয়ে যায়। অথচ আমার ভিন্ন কিছু হয়। তাকে দেখামাত্রই শরীরে অশরীরী ভড় করে। সামনে এলে পাত্তা দিই না, চ্যাট বক্সে আইডির প্রোফাইল পিক দেখে কপাল কুঁচকে বিটলামি করি, আইডিতে পোস্টকৃত ছবি দেখে ভেংচি কাটি, মেসেজ পেলে দেরিতে রিপ্লাই করি। তারপরেও আমি মানি, আমি তাকে মনেপ্রাণে পছন্দ করি এবং ভালোবাসি। হুমায়ূন আহমেদ তো নিজেই লিখে গিয়েছেন, "চট করে কারো প্রেমে পড়ে যাওয়া কোনো কাজের কথা নয়।" অথচ আমি মানুষটা চট করেই তার প্রেমে পড়েছি। যাকে বলে গভীর প্রেম! অথচ তাকে বুঝতে দিচ্ছি না।
তানজিদ ও তরুলতা এদের সম্পর্কটা আমার ভীষণ ভালো লেগেছে। প্লটটাও ইউনিক। সাধারণ মনে হলেও ভেতরে অসাধারণ কিছু আছে। সব থেকে ভালো ব্যাপার প্লট এবং নামকরণের সঙ্গে মিল। এটা সবার থাকে না। ওরা নীরবে ভালোবাসে। প্রকাশ্য না করে। বিশেষ ভাবে তানজিদ। সে তার তরুলতাকে নীরবে নিভৃতে রক্ষা করেছে। ঢাল হয়ে আগলে রেখেছে। তানজিদ সাহেবের ভালোবাসা আমায় মুগ্ধ করেছে। আর টুইস্ট এটা ছিল গল্পের মাস্টার স্টোক। পুরো হিট। আন্দাজ করছিলাম জমজের ব্যাপারটা কিন্তু এমন কিছু। এটা ভাবনার বাইরে ছিল। সর্বোপরি অসাধারণ একটা গল্প। শেষে মিথুবুড়ির সংলাপ ওটা পেট ফাটিয়ে দিয়েছে হাসিতে। হাসি-আনন্দ বিষাদ। মানব জীবনের সকল কিছুর ফুল প্যাকেজ ছিল। এটা আমার জন্য রেটিং এর দাবিদার রাখে না। নিঃসন্দেহ পয়সা উসুল ই-বই। লেখিকার লেখনীয় চমৎকার। তবে পাঠক মন আরো একটু মিথুবুড়িকে চেয়েছে। বলে ৯ দিলাম ১০ এ। ওটা লেখিকার জন্য শাস্তি মিথুবুড়িকে অল্প দেওয়ার জন্য। শুভ কামনা রইল মালাইশা। এমন মালাই মালাই গল্প দিয়ে হৃদয়-আত্মা মিষ্টি করার জন্য ভালোবাসা নিও।
Read all reviews on the Boitoi app
অনেক অনেক অনেক বেশিইই সুন্দর। এককথায়, পড়ার মতোন একটা বই। মন ভালো করে দেওয়ার মতোন শব্দের গাঁথুনি। 🌼🌼❤️