
সৌন্দর্যের পূজারী ধ্রুব হাসান। প্রচলিত প্রবাদে আছে– “হাজির ছেলে পাজি হয়”। এই প্রবাদ যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে ধ্রুবর জীবনেই। ‘ডোন্ট কেয়ার’ স্বভাব, চরম অলসতা আর জীবন সম্পর্কে এক ধরনের উদাসীনতা নিয়ে চলা এই তরুণের মনের আকাশটা সবসময় মেঘে ঢেকে থাকে। সাদা চামড়া আর আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্বের মেয়েদের সাথে বন্ধুত্ব করাই যেন ধ্রুবর নেশা। তবে কাউকে স্থায়ীভাবে মনে জায়গা দিতে সে রাজি না। যদি কেউ তার মন ভাঙে! তাই হৃদয়ের দরজা সে খোলে না কারও জন্য। ঠিক এমন সময়, তার জীবনে আবির্ভাব ঘটে এক সাদামাটা কিন্তু স্বপ্নে ভরা মেয়ে তারার। যার চোখে ছিল স্বপ্নের আলো, কথায় ছিল নির্ভর সত্য, আর উপস্থিতিতে ছিল প্রশান্তির ছায়া। এই সাধারণ অথচ অসাধারণ মেয়েটি এক ধাক্কায় বদলে দেয় ধ্রুবর জীবনটা। তার হৃদয়ে জন্ম নেয় হেদায়েতের বসন্ত, নতুন এক সকালের প্রত্যাশা। আর তারপর… দিন যত এগোয়, ধ্রুবর মন ততই ব্যাকুল হয়ে ওঠে তারার জন্য। এই ব্যাকুলতা তাকে আকাশের তারা স্পর্শ করার সাহস তৈরি করে দিতে পারে কি-না, তা জানতে হলে পড়তে হবে এক আবেগময় রোমান্টিক গল্প “নীল ধ্রুবতারা”।