

প্রতিশোধ। এই শব্দটার বিস্তৃতি কতটুকু হতে পারে? জিঘাংসার প্রবৃত্তি? গল্পটা যাকে ঘিরে আবৃত, সেই অর্ক খান শিশু বয়সে পিতাহারা হয়ে মায়ের সাথে আশ্রয় হয় নানা বাড়িতে। তারপর তার অধ্যাবসায় শুরু হয় নিজেকে শিক্ষায় সর্বোচ্চ শিখরে নিয়ে মা'কে সুখী করার তীব্র আকাঙ্খায়। এক সময়ে তার জীবনে প্রেম আসে। সেই প্রেমে প্রতারিত হয়ে মায়ের কাছে ঘটনা বললে মা মেয়েটির বাড়ি তার শ্বশুরবাড়ির এলাকায় হওয়ায় খোঁজ নিতে বলে। সেই খোঁজ নিতে গিয়ে অর্ক জানতে পারে মেয়েটির বাবা তার বাবারই বৈমাত্রেয় ভাই, যাদের মানুষ করতে ওর বাবাই তার সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেছিল। এই ভাইয়েরা মিলে তার বাবাকে হত্যা করে তাদের সম্পত্তি দখল নিতে মা'সহ অর্ককে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। অর্কের মনে প্রতিশোধের আগুন জ্বলে ওঠে। ইউ.এস. থেকে সে বাংলাদেশে চলে এসে মেয়ের পুলিশের রিটায়ার্ড এস.পি বাবাকে খুঁজে বের করে। তার থেকেই আইডিয়া চায় একটি নিখুঁত খুনের। সেক্স, প্রতিশোধ, খুন। গল্পটির ভাষা এবং কথন সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারের মতো জটিল এবং পাঠকের আগ্রহ ধরে রাখার মতো তীব্রতা রয়েছে।
"চমৎকার কিছু সময় কাটল এই বইটা পড়ে। সারোয়ার সাহেবের জন্য শেষ মূহুর্তে যে এমন ভয়ঙ্কর সারপ্রাইজ ছিল,এটা আমার মাথায় একটুও জন্যেও আসে নি।অর্ক যখন ওর মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল, তখন আমার মনে হয়েছে হয়তো আরো কোন চরিত্র গল্পে অংশ নিল।অর্ক ,সজীব ।একই মানুষ দুইটা সত্তার অধিকারী।এতো নিখুঁত অভিনয় করল যে লাস্ট মূহুর্তে চমকিত হলাম। আর পারিবারিক যে যোগসূত্র ছিল এটাও ধারণার বাইরে ছিল। লেখকের লেখার হাত সম্পর্কে ধারণা ছিল বলে , রোমাঞ্চিত বর্ণণা নিয়ে খুব একটা সমস্যা হয় নি।"
চমৎকার কিছু সময় কাটল এই বইটা পড়ে। সারোয়ার সাহেবের জন্য শেষ মূহুর্তে যে এমন ভয়ঙ্কর সারপ্রাইজ ছিল,এটা আমার মাথায় একটুও জন্যেও আসে নি।অর্ক যখন ওর মায়ের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে কথা বলছিল, তখন আমার মনে হয়েছে হয়তো আরো কোন চরিত্র গল্পে অংশ নিল।অর্ক ,সজীব ।একই মানুষ দুইটা সত্তার অধিকারী।এতো নিখুঁত অভিনয় করল যে লাস্ট মূহুর্তে চমকিত হলাম। আর পারিবারিক যে যোগসূত্র ছিল এটাও ধারণার বাইরে ছিল। লেখকের লেখার হাত সম্পর্কে ধারণা ছিল বলে , রোমাঞ্চিত বর্ণণা নিয়ে খুব একটা সমস্যা হয় নি।
Read all reviews on the Boitoi app
অসাধারণ একটা থ্রীলার পড়লাম। খুনের কি নিখুঁত প্ল্যান বাপরে! তবে শেষে সারোয়ার সাহেবের সাথে অর্কের পারিবারিক সম্পর্কের কথায় সারপ্রাইজ হলাম। বহুদিন এমন পারফেক্ট গল্প পড়িনা। অনেক ভালো লেগেছে। গল্পটা দুইবার পড়েছি। লেখককে ধন্যবাদ। কারন পড়ার সময় একবারের জন্যও বোর হইনি।
বইটি নিঃসন্দেহে এক চমৎকার একটি থ্রিলার। অন্তর্নিহিত টান, রোমাঞ্চ আর মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বে ভরপুর। এক সাইকোপ্যাথ অন্য এক সাইকোপ্যাথের খোঁজে আমেরিকা থেকে বাংলাদেশে আসে, শুধু একটি নিখুঁত খুনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য। গল্পের ভিত্তি মজবুত ও দৃঢ়, প্রতিটি চরিত্রের নিজস্বতা আলাদা করে চোখে পড়ে। পিতৃহারা মেধাবী ছাত্র অর্ক কিংবা প্রেমে প্রতারিত যুবক সজীব এবং অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন, প্রত্যেকের জীবনের প্রতিশোধ, মানসিক টানাপোড়েন ও অন্ধকারে ডুবে থাকা গল্পের কেন্দ্রবিন্দু। আছে কিছু অতীতের ভয়াবহ পাপের শাস্তি। যদিও কিছু জায়গায় ১৮+ সংলাপ ও দৃশ্য রয়েছে, লেখকের সাবলীলতা ও প্রাসঙ্গিক উপস্থাপনায় তা একেবারেই বেমানান লাগে নি।। তবে চাইলেই কিছুটা সংযম রাখলে গল্পের গতি বা ঘনত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হতো না। শুরুর অংশটি একগুচ্ছ প্রশ্নের জাল ছুড়ে দেয় পাঠকের মনে, আর শেষটা আয়নার মতো ঝকঝকে ও পরিপূর্ণ তৃপ্তিদায়ক। সবমিলিয়ে, এটি এমন একটি ডার্ক থ্রিলার, যা রহস্যপ্রেমীদের নিঃসন্দেহে তীব্র পাঠানুভূতি দেবে।
দারুন মিষ্ট্রি থ্রিলার। তবে ঘটনার বর্ণনা আরও একটু খোলা মেলা হলে পরিতৃপ্ত হতাম। স্টোরি, প্লট, চরিত্রের রহস্যময়তা চমকে দিয়েছে। সব মিলিয়ে চমৎকার একটা থ্রিলার।
অর্কর সঙ্গে সারোয়ার সাহেবের পারিবারিক সম্পর্কের শেষের টুইস্টটা সবচেয়ে বেশি ইন্টারেস্টিং লেগেছে আমার কাছে। এক কথায় উপভোগ্য একটি মিস্ট্রি থ্রিলার
নিখুঁত একটি থ্রিলার। প্রেম, প্রতিশোধে লেখকের বর্ণনার মুন্সিয়ানায় নিরবচ্ছিন্ন উপভোগ্য একটি সময় উপহার দেওয়ার জন্য লেখককে ধন্যবাদ।
গল্পটা আগেও পড়েছিলাম লেখকের ওয়ালে। আবারও পড়লাম। আবারও ভালো লাগলো। এই বারবার ভালো লাগানোটা সবার সব লেখায় থাকে না। আরও অনেক লেখা চাই। বড়ো উপন্যাস হলে আরও ভালো।
অসাধারণ। প্রতিটা লাইন ভীষণ ভাবে মনোযোগ আকর্ষণ করে ছিল। কিছু লাইন পড়ে আবারো পড়তে বাধ্য হয়েছি।খুন কিংবা শারীরিক বর্ণনায় মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। অনেক দিন পর কোনো গল্প এভাবে টেনে ধরলো আমাকে। ধন্যবাদ। রুনা রহমান
এক মুহূর্তও এদিক সেদিক না তাকিয়ে পড়ে শেষ করার মত একটা গল্প। পাঠকের প্রথম দৃশ্য থেকে আটকে যাওয়া এবং কখন সময় চলে গেল না টের পাওয়া বোধহয় একজন লেখকের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব। অসাধারণ লেখনীতে বারবার মুগ্ধ হয়েছি, সেই সাথে গল্পের প্লট ঠাসা বুননে গাঁথা। এক কথায় চমৎকার। শরীরী বর্ণনায় মনে মনে হ্যাটস অফ বলতে বাধ্য হয়েছি, ভীষণ প্রাসঙ্গিক আর নান্দনিক ছিল। নব্য লেখকদের অনেককিছু শেখার আছে এখান থেকে। শুভ কামনা এবং অবশ্যই রেকমেন্ডেড।
দেহতত্ত্বের নান্দনিক প্রকাশ ও রহস্যে ঠাসা বই " অ্যা পারফেক্ট মার্ডার "। লেখককে অভিনন্দন সুন্দর সময় উপহার দেয়ার জন্য। প্রতিটি পরিচ্ছেদই বর্ণনার ঢংয়ে শৈল্পিক। পাঠককে সময় নিয়ে বুঝে বুঝে পড়তে হবে।ভাসা নজরে পড়া যাবেনা।এখানেই লেখকের মুন্সিয়ানা। চটি আর শিল্পের তফাৎ, এই বইটা পড়লেই বুঝে যাবেন। পরিশিষ্ট পড়তে হলে লাইন ধরে ধরে পড়ে মার্ডার প্ল্যান বুঝতে হবে।সত্যিই পারফেক্ট মার্ডার। এটুকু নির্দ্বিধায় বলতে পারি -- পড়ে সময় নষ্ট হবে না। জানেন তো, সময়ের সমষ্টিই জীবন।