

“বারো তলার ফ্ল্যাটে আদনানের নিখুঁত ভালোবাসায় দমবন্ধ হয়ে আসছিল নীলার। মুক্তির খোঁজে সে এক বৃষ্টিভেজা রাতে আশ্রয় নেয় শৈশবের বন্ধু, অগোছালো রিহানের কাছে। কিন্তু পরদিনই আদনান হাজির হয় তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি নিয়ে - জানায়, রিহান তার শত্রু। প্রতারণার আঘাতে নীলার পৃথিবী ভেঙে পড়ে। কিছুদিন পর রিহান ফিরে এসে জানায় আসল সত্য - সে একজন সাংবাদিক, আদনানের অপরাধ জগৎ ফাঁস করতেই এসেছিল। নীলাকে ব্যবহার করাটা ভুল ছিল, কিন্তু সে সত্যিই প্রেমে পড়ে গেছে। নীলার হাতে সে তুলে দেয় আদনানের সব কুকীর্তির প্রমাণসহ এক পেনড্রাইভ। শেষ দৃশ্যে নীলা বারান্দায় দাঁড়িয়ে - এক হাতে সিগারেট, অন্য হাতে সেই পেনড্রাইভ। বাইরে আকাশে সিঁদুরে মেঘ আর একাকী সন্ধ্যাতারা। তার মুখে কোনো সিদ্ধান্ত নেই, শুধু এক অনিশ্চিত প্রশ্ন - মুক্তি কি সত্যিই নিষিদ্ধ ফলের মতো? যার ঘ্রাণ একবার পেলে, মানুষ আর আগের জীবনে ফিরতে পারে না? এই গল্পে প্রেম, প্রতারণা, স্মৃতি, মুক্তি ও আত্ম-আবিষ্কারের থিমগুলো একে অন্যের সঙ্গে মিশে গেছে নিপুণভাবে। “নিষিদ্ধ ফলের ঘ্রাণ” শুধু প্রেমের গল্প নয়, এটা এক নারীর আত্মার যাত্রা - যেখানে ভালোবাসা ও পাপ, সত্য ও ভ্রান্তি, বুদ্ধি ও প্রবৃত্তি - সব মিলেমিশে তৈরি করেছে এক রহস্যময় আবেশ।”