

বিবাহ বার্ষিকীর দিনে নিজ স্ত্রীকে অন্য পুরুষের পছন্দ অনুযায়ী সাজতে দেখা শুধুমাত্র একজন অসহায় পুরুষের পক্ষে সম্ভব। নাদিম সেই অসহায় পুরুষ। যদিও, ছোটুর খুশির জন্যে এতটুকু ছাড় সে মেনে নিতে চায়। রায়হান আসলে একটা ভণ্ড পুরুষ। নাদিমের মাঝে মাঝে তাই মনে হয়। আবার, রায়হান যখন নাদিমের কাঁধে হাত রেখে অবিরাম নিজের কষ্টের কথা বলে। বলে, কিভাবে রায়হানের বাবাকে ভূমিদস্যুরা খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করেছে, কিভাবে তার বোনকে বিয়ে দেয়ার পর স্বামীর অক্ষমতার দোহাই দিয়ে শুতে হয়েছে দেবরের সাথে। নাদিম ওকে ক্ষমা করে দেয়। যে মানুষের জীবনের ক্ষত বইতে বইতে অবিরাম বন্ধুর কাছে কাঁদে, তাকে ঠিক অবিশ্বাস করা যায় না। রায়হানকে নাদিম তাই ভরসা করে। করতেও চায় প্রাণাধিক। শুধু বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় 'মৃদুলা'। স্ত্রী ঠিক কবে থেকে রায়হানের প্রতি বাক্যে সায় মেলায় তা জানে না নাদিম।
"খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ছিলাম শেষটা কী হয় জানতে। শেষটা সুন্দর! সব পরকীয়ায় লিপ্ত থাকা মেয়েগুলো যদি এভাবে বুঝতো নিজেদের অবস্থান? ছেলেদের কথা আর বললাম না।। ছেলেরা দিনশেষে সাধু৷ লোভ যে কত খারাপ সেটা ও চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানো হলো। দিনশেষে, আমাদের যা আছে তাই নিয়ে সুখী থাকা উচিত৷ তবেই মেঘের ওপর একটা সুখী বাড়ি বানানো সম্ভব।"
দারুন
Read all reviews on the Boitoi app
সুরভী হাসনীন আপুর বই প্রথম পড়লাম। সাবলীল সুন্দর লেখনী। ভালো লেগেছে।
খুব আগ্রহ নিয়ে পড়ছিলাম শেষটা কী হয় জানতে। শেষটা সুন্দর! সব পরকীয়ায় লিপ্ত থাকা মেয়েগুলো যদি এভাবে বুঝতো নিজেদের অবস্থান? ছেলেদের কথা আর বললাম না।। ছেলেরা দিনশেষে সাধু৷ লোভ যে কত খারাপ সেটা ও চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানো হলো। দিনশেষে, আমাদের যা আছে তাই নিয়ে সুখী থাকা উচিত৷ তবেই মেঘের ওপর একটা সুখী বাড়ি বানানো সম্ভব।
খুব ভাল লেখনি। জটিল মনস্তত্ত্ব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।