

মতিনকে ভালোবেসে রেহনুমা ঘর ছেড়েছিল। একটু খানি সুখের আশায় ভালোবাসার ঘর বেঁধেছিল। কিন্তু সে ঘর বাঁধতে গিয়ে রেহনুমা হোঁচট খায়। বিয়ের আগের সেই যত্নশীল মানুষটা আস্তে আস্তে বদলে যেতে থাকে। পরিবারে মায়ের দায়িত্ববান ছেলে হতে গিয়ে রেহনুমাকে মতিন অবহেলা করতে থাকে। এর মাঝে উষসীর জন্ম হয়। প্রতি মুহূর্তের এই অবহেলার কারণে দুজনের মাঝে দুরত্বের শক্ত প্রাচীর তৈরি হয়। সাতাশ বছর একসাথে বাস করেও এই দুরত্বের প্রাচীর ডিঙিয়ে কেউ কারো কাছে আসতে পারলো না। সাতাশ বছর পর মতিনের জীবনে নিজের মেয়ের বয়সী এক নারীর আগমন ঘটে। তারপরের কাহিনী জানতে হলে এই বইটি পড়তে হবে। যেসব পাঠক আমার গল্প পড়তে পছন্দ করেন, তারা অবশ্যই অনলাইন থেকে সংগ্রহ করে নিবেন। ইনশাআল্লাহ, বইটি ভালো লাগার মতো একটা বই।