

ছয়টা সুটকেস আর দুই ছেলেমেয়ের সঙ্গে অনেক বছর আগে কানাডা পাড়ি জমিয়েছিলেন স্বপ্না আর মাহফুজ। নতুন জীবনের সন্ধানে। পেছনে ফেলে এসেছিলেন পরিবার-পরিজন, বেদনাদায়ক স্মৃতি। বাবা-মা সিকিউরিটি গেটের অপর প্রান্তে দাঁড়িয়ে মাহফুজকে একদিন বিদায় দিয়েছিলেন। সময় যেন দর্পণের মতো একই দৃশ্য সামনে নিয়ে এলো। বদলে গেছে শুধু পাত্র-পাত্রী। কালের পরিক্রমায় মাহফুজ এখন বিমানবন্দরে তার ছেলে রুমিকে বিদায় দিচ্ছেন। রুমির নীরব প্রস্থানের পেছনের অভিমান কি দূর হবে? স্বপ্নার জীবনের কালো মেঘের মতো দুঃস্বপ্ন কি মুছে যাবে? স্বপ্না আর মাহফুজের কন্যা রুমকি যার জীবনের উদ্দেশ্য বাবা-মাকে দুঃখ না দেওয়া। নিজেকে বদলে অন্য সবাইকে কি সুখী রাখতে পেরেছিল রুমকি? প্রবাসীরা সবসময় দ্বৈরথে ভোগেন। একদিকে নিজেদের পূর্বসূরি আর চেনা পরিবেশ ফেলে আসার যন্ত্রণা; অন্যদিকে উত্তরসূরিদের সুন্দর জীবনের নিশ্চয়তা। সেই টানাপোড়েনের গল্পই দ্বিতীয় জীবন।