

রব্বুল আলামিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে সূরা আল ফাতিহার গভীর ভাবার্থ ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করার এক বিরল সৌভাগ্যের কথা এখানে ফুটে উঠেছে। প্রতিটি মুমিনের শৈশব থেকে মৃত্যু পর্যন্ত নিত্যসঙ্গী এই ‘সাবউল মাসানি’ তথা বারবার পঠিত সাতটি আয়াতের পরিচিত শব্দমালার গহীন ও নতুন সব মাত্রা এই গ্রন্থে উন্মোচিত হয়েছে। উস্তাদ নোমান আলী খানের গবেষণালব্ধ এই কর্মের মাধ্যমে আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সম্পর্ক ও প্রার্থনার যে নিবিড় দিগন্তগুলো তুলে ধরা হয়েছে, লেখক তাকে মহান আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত হিসেবে গণ্য করেছেন। অনুবাদের এই মহতী কাজে সকল সাফল্যকে আল্লাহর তাওফিক এবং সম্ভাব্য ত্রুটিকে নিজের অযোগ্যতা হিসেবে স্বীকার করে লেখক পরকালে মহান মালিকের কাছে এর উত্তম প্রতিদান প্রত্যাশা করেছেন।