

হঠাৎ একদিন বায়োকেমিস্ট্রি ল্যাব থেকে ফোন পেয়ে স্তম্ভিত হয়ে গেলেন ডা. শায়না। ল্যাব কর্তৃপক্ষ জানাল—একজন রোগীর ব্লাড স্যাম্পলে পাওয়া গেছে গ্রুপ ফোরের ধাতব পদার্থ, যা স্বাভাবিক অবস্থায় থাকার কথা নয়। বিষয়টি নিয়ে ভাবার সুযোগও পেলেন না তিনি। এর মধ্যেই ঘটে গেল ভয়াবহ ঘটনা—বায়োকেমিস্ট্রি ল্যাবে কর্মরত শর্মিকে অতর্কিতে হত্যা করা হলো। রহস্যের সূত্র খুঁজতে শায়না নিজেই ল্যাবে গেলেন। সেখানে দেখা হলো শর্মির হবু বর অর্কর সঙ্গে। ধীরে ধীরে সামনে আসতে লাগল এক অতি গোপন প্রকল্পের নাম—প্রোজেক্ট ক্রিপ্টিক। শোনা গেল, তাদের সিক্রেট ভল্ট থেকে এআই-এর গুরুত্বপূর্ণ ডিজাইন চুরি হয়েছে, আর সেই চুরির সন্দেহভাজন তালিকায় শর্মির নামও রয়েছে। অন্যদিকে, শায়নার স্বামী তুহিনের অফিসে তাকে চমকে দিতে গিয়ে শায়না ও তার মেয়ে তিশা হঠাৎই মুখোমুখি হলো কড়া নিরাপত্তা বলয়ের। তুহিনকে না জানিয়েই শায়না তার অফিসের ট্যাব খুলে একটি এনক্রিপ্টেড ফোল্ডার ওপেন করার চেষ্টা করতেই অস্বাভাবিকভাবে ক্ষেপে উঠল তুহিন। মুহূর্তেই তার আচরণ হয়ে গেল ভয়ংকর রূঢ় ও আক্রমণাত্মক। তুহিনের এই রুদ্র মূর্তির পেছনে আসল কারণ কী? আরও রহস্যজনক বিষয় হলো—শর্মি ও অর্ক দুজনেই কেন বারবার শায়নাকে সতর্ক করে দিচ্ছিল তিশার দিকে বিশেষভাবে নজর রাখতে? ভুল করে ঘুমের ওষুধ মেশানো দুধ খেয়ে ফেললে তিশার কোনো ক্ষতি হবে না তো?
খুব ভালো লেগেছে। সাইফাই হলেও অবাস্তব মনে হয়নি!
Read all reviews on the Boitoi app