
‘প্রতিশোধে’র নির্মম রূপ এবং বন্দিত্বের ভেতর জন্ম নেওয়া অদ্ভুত এক ভালোবাসা, আর হৃদয়ের গভীরে চলতে থাকা তীব্র দ্বন্দ্বের কাহিনি— “প্রতিশোধ” জমিদার বাড়ির প্রভাবশালী ছেলে হায়দার আলী ভূইয়া—যার কাছে ক্ষমতাই সব। অন্যদিকে, দরিদ্র দলিল লেখক রুহুল আমিন—যার এক ভুল সিদ্ধান্তই ডেকে আনে তার একমাত্র কন্যা নুপুরের জীবনে ভয়ংকর পরিণতি। নুপুরকে জোর করে তুলে আনে হায়দার। বন্দী করে রাখে হায়দারের প্রাসাদসম বাড়িতে, যেখানে সে হারায় স্বাধীনতা, স্বপ্ন আর নিজের পরিচয়। পারিবারিক শত্রুতা, প্রতারণা আর লোভের খেলায় জড়িয়ে পড়ে নির্দোষ নুপুর, যে হঠাৎই হয়ে যায় প্রতিশোধের মুদ্রা। কিন্তু গল্প এখানেই থেমে থাকে না… ঘৃণার আগুনে শুরু হওয়া এই সম্পর্ক একসময় অন্য রূপ নেয়। কঠোর, নির্মম হায়দার, কোমল শান্ত নুপুরের সংস্পর্শে ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। নিজের অজান্তেই নুপুরকে ভালোবাসতে শুরু করে হায়দার। কিন্তু হায়দার কি পারবে নিজের অহংকার, বংশের সুনাম আর প্রতিশোধের আগুনকে নিভিয়ে নুপুরকে নিজের মনের কথা বলতে? অন্যদিকে, নুপুরও কি পারবে এমন একজনকে ভালোবাসতে—যার জন্য আজও সে বন্দী, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন, অসহায়? জানতে হলে ডুবে যান “প্রতিশোধ”-এর গভীর, টানটান আর আবেগঘন কাহিনিতে।