

নায়লা ভীষণ রকমের এক যুদ্ধে নেমেছে। এই যুদ্ধে যেমন হেরে যাওয়ার ভয় রয়েছে, তেমনি সব কিছু হারিয়ে ফেলার ভয়ও রয়েছে। তবুও নায়লা পিছু হঠেনি। পরকীয়া কিংবা অনৈতিক সম্পর্ক, যা আমাদের সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এখন মিশে রয়েছে; একসময় এমনই এক নষ্ট সম্পর্কের মাঝে নায়লাও নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছিল। যার মূল্য তাকে দিতে হয়েছিল কড়ায়-গণ্ডায়। তবুও নায়লা সব পেছনে ফেলে বাঁচতে চেয়েছিল। কিন্তু আদতে বাঁচতে পেরেছিল কি? পুরুষশাসিত সমাজে নায়লা মাথা উঁচু করে সামনে এগোতে পেরেছিল কি? পেয়েছিল কোনো কাছের বন্ধু কিংবা সুহৃদ? জানতে হলে পড়ুন লেখক তামান্না স্মৃতি এবং লেখক রুজহানা সিফাতের যৌথভাবে লেখা থ্রিলার উপন্যাস “দ্বৈত”।
"টানটান উত্তেজনাময় একটা উপন্যাস। দুজন গুণী লেখকের লেখনশৈলী প্লটটাকে নতুন দিকে টেনে নিয়ে গেছে প্রতিটি চ্যাপ্টারে। কর্পোরেট কালচারের অন্ধকার দিকগুলো নিয়ে সবারই কমবেশি ধারণা আছে। তবে তা এত ভয়ংকরভাবে মানুষের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে ফেলতে পারে তা এই উপন্যাস পড়লে অনেকেই আশংকা করতে পারবেন। উপন্যাসের প্লট, লেখনী, গল্পের গতি সবই প্রশংসার দাবি রাখে। রুজহানা আপু এবং তামান্না আপুর জন্য শুভ কামনা রইলো।"
ভীষণ চমৎকার হয়েছে। এটা যে দুজনের লেখা পড়ে বুঝতেই পারিনি 🫠
Read all reviews on the Boitoi app
Excellent
টানটান উত্তেজনাময় একটা উপন্যাস। দুজন গুণী লেখকের লেখনশৈলী প্লটটাকে নতুন দিকে টেনে নিয়ে গেছে প্রতিটি চ্যাপ্টারে। কর্পোরেট কালচারের অন্ধকার দিকগুলো নিয়ে সবারই কমবেশি ধারণা আছে। তবে তা এত ভয়ংকরভাবে মানুষের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে ফেলতে পারে তা এই উপন্যাস পড়লে অনেকেই আশংকা করতে পারবেন। উপন্যাসের প্লট, লেখনী, গল্পের গতি সবই প্রশংসার দাবি রাখে। রুজহানা আপু এবং তামান্না আপুর জন্য শুভ কামনা রইলো।
রেটিংস ৫/ দিলাম।এতো চমৎকার একটা থ্রিলারধর্মী সমকালীন গল্প চুম্বকের মতো পাঠক হৃদয় টেনে রেখেছে। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়তে পড়তে অবাক হয়েছি দুজন দ্বৈত লেখক এতো সাবলীলভাবে গল্পটা চালিয়ে গিয়েছেন। কর্পোরেট জগতের কুৎসিত চিত্র ,কোর্টরুম ড্রামা এবং শেষটায় যে টুইস্ট ছিল -এসবকিছু মিলিয়ে অসাধারণ। এমন আরো অনেক গল্প চাই লেখকদ্বয়ের কাছে। ধন্যবাদ
কর্পোরেট জগৎ, উচ্চাকাঙ্ক্ষী নারী ও শিকারী পুরুষ! কি নাই "দ্বৈত" ইবুকে - পরকীয়া, প্রাইভেট ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া, পুলিশ, আইন আদালত আরো কত কী! বইটির গতিশীল প্রথমাংশ এবং চমকপ্রদ শেষ অংশ আধুনিক ওয়েব সিরিজের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছিল। দুই লেখকের মিলিত লেখা ইবুক "দ্বৈত" ভালো লেগেছে।
অসাধারণ লেখনী l খুব ভালো লেগেছে পড়ে l দারুন combination
বর্তমান সমাজের দুর্নীতির এক দারুণ উদাহরণ। খুব ভালো লাগলো। নায়লার সাহসী পদক্ষেপের জন্য ধন্যবাদ। তবে বাস্তবে হ্রদয়কে খুজে পাওয়া যাবে কি?
খুব ভালো লাগলো। মনেই হচ্ছিলো না দুজনের মিলিত লেখা। এক কথায় চমৎকার!
বইটা যে দুজন লেখক মিলে লিখেছেন- এটা আসলে বোঝার উপায় নেই। এক নি:শ্বাসে পড়ে ফেলার মতো লেখা। পটভূমিটা খুব সুন্দর। স্পেশালি শেষের টুইস্ট টা!
অনেকদিন পর দারুণ একটা লেখা পড়লাম। প্রথমেই অসংখ্য ধন্যবাদ গুণী লেখকদ্বয় এর প্রতি। অসাধারণ একটা লেখা। কর্পোরেট জগতের বাস্তবতা, আমাদের সমাজের পরিপ্রেক্ষিতে এর প্রভাব, অফিস কালচার, পারিবারিক গ্রহণযোগ্যতা, ব্যক্তিগত অনুভূতি; মুহূর্তে মুহূর্তে সাসপেন্স, ক্লাইমেক্স। সবকিছুর এক নিপুণ সমন্বয়। দুইজন আলাদা লেখক যেভাবে একইরকম ভাবে লেখাটা টেনে নিয়ে গেছেন, সেটা অবশ্যই বিশাল একটা কৃতিত্বের বিষয়। শুধুমাত্র সত্যিকারের মেধাবী লেখকদের পক্ষেই এটা সম্ভব। পাঠক হিসেবে বুঝতে পারার তেমন কোনো সুযোগই নেই কোন অংশ কার লেখা সেটা আলাদা করে ফাইন্ড আউট করা। গল্পের বিশ্লেষণ এখন অবশ্যই দিচ্ছি না, তাতে করে স্পয়লার সহ হয়ে যাবে আমার এই কমেন্টস। যেটা গল্পের প্রতি নতুন পাঠকদের আগ্রহ এবং আকর্ষণ নষ্ট করবে। অবশ্যই সুযোগ হলে পরে বিশ্লেষণ মূলক কমেন্টস করবো। আপাতত "দশ এর মধ্যে আট" দিচ্ছি। "নয়" দিতাম, কিন্তু কেন দিলাম না সেটা বিশ্লেষণ করবো পরের কমেন্টসে ইনশাআল্লাহ। লেখকদের জন্য অসংখ্য শুভকামনা। আশা করি আরও অনেক বেশি লেখা পাব আপনাদের কাছ থেকে। পাঠক হিসেবে ভালো লেখার জন্য অপেক্ষায় থাকি সবসময়ই।