

কেসসা কাহিনীই হচ্ছে এই সূরার প্রধান উপাদান। এর শুরুতেই রয়েছে 'আসহাবুল কাহাফের' ঘটনা। এরপর দুটো বাগিচার কেসসা। তারপর ইবলীস ও হযরত আদমের সংক্ষিপ্ত আলোচনা, মাঝখানে হযরত মূসা (আ.) ও আল্লাহর জনৈক সৎ বান্দার ঘটনা এবং সবার শেষে যুলকারনায়নের ঘটনা। এই সূরার অধিকাংশ ঘটনাগুলোই বিস্তৃত। সূরার মোট একশো দশ আয়াতের মধ্য থেকে ৭১ আয়াত জুড়েই রয়েছে এসব কাহিনী। বাদ-বাকী আয়াতগুলোরও বেশীর ভাগ এসব কাহিনীসংক্রান্ত মন্তব্যে পরিপূর্ণ। এই কেসসা কাহিনীর পাশাপাশি কেয়ামতের কিছু দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে। আরো রয়েছে জীবনের তাৎপর্যপূর্ণ কিছু দৃশ্য, যা দৃশ্যের মাধ্যমে বক্তব্য প্রকাশের কোরআনী রীতির স্বাভাবিক প্রতিফলন।