

লন্ডনে আইন পড়া এক আধুনিক তরুণীর জীবনে হঠাৎ ফিরে আসে শত বছরের পুরোনো এক পারিবারিক আহ্বান, ঘনীভূত হয় এক প্রাচীন বংশানুক্রমিক অভিশাপ। একটি প্রত্যন্ত গ্রাম, নীল চাঁদের রাত, রহস্যে ঘেরা এক প্রাচীন দুর্গ এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চলে আসা এক অদ্ভুত রক্তঋণের চুক্তি—১০০ বছর পর পর নীল চাঁদের রাতে রাজবাড়ির ‘অদৃশ্য মালিক’-এর কাছে শোধ করতে হয় এক পৈশাচিক রক্তঋণ! সব মিলিয়ে শুরু হয় এমন এক যাত্রা, যেখানে যুক্তি আর অলৌকিকতার সীমারেখা ক্রমেই অস্পষ্ট হয়ে ওঠে। গাঢ় লাল বেনারসি আর সোনার গয়নায় সজ্জিত আরশীকে বলি দেওয়ার মতো আটকে রাখা হয় এক অভিশপ্ত ও কালজয়ী দুর্গে। সেখানে নেই সময়ের কোনো নিয়ম—দেওয়ালের আয়না পেরিয়ে নেমে আসে এক শতাব্দী প্রাচীন রাজকুমার। মুক্তি পেতে হলে আরশীকে পার হতে হবে সময়ের গোলকধাঁধা আর তিনটি কঠিন ধাঁধা! প্রতিটি দরজা খুলে দেয় নতুন রহস্য, প্রতিটি সিদ্ধান্ত বদলে দিতে পারে ভাগ্যের গতিপথ। আধুনিক মনস্তত্ত্ব কি পারবে শত বছরের রক্তঋণের অভিশাপ ভেঙে আলোর মুখ দেখতে? গথিক আবহ, লোককথা, রহস্য, সময়ের গোলকধাঁধা আর গভীর আবেগে নির্মিত ঐতিহাসিক রূপকথা ও কাল্পনিক থ্রিলারের এক রোমাঞ্চকর উপাখ্যান—‘রক্তঋণের বিয়ে’ আপনাকে নিয়ে যাবে এমন এক জগতে, যেখান থেকে সহজে ফিরে আসা যায় না।
দারুণ লেগেছে ; শেষ ধাঁধাটা বেশি রোমাঞ্চকর ছিলো। ❤️নিও মৌলিপু
Read all reviews on the Boitoi app