

একটা সময় চকলেটগুলো খুব পছন্দ করত তিস্তা। এখন তার পছন্দ বদলে গেছে। পুরোনো জিনিস আঁকড়ে ধরে বাঁচার অভ্যাসও কবেই ছেড়ে দিয়েছে সে। তাই চকলেট বক্সের সঙ্গে পাওয়া চিরকুটটিরও আজ আর কোনো মূল্য নেই তিস্তারের কাছে। নেহাতই এক টুকরো কাগজ। দীঘিকে চকলেট খেতে দেখে নিজের ছোটবেলাটা মনে পড়ে তিস্তার। সেই সময় সামর্থ্য ছিল না বিলাসিতা করার। অথচ একদিন কেউ একজন তার জীবনে এসেছিল, মুঠো ভরে চকলেট আর নানা রকম ফুল দিয়ে সাজানো চিরকুট নিয়ে। মানুষ বদলে যেতে পারে। সম্পর্কের পরিণতি নাও হতে পারে। কিন্তু একসময় যে অনুভূতিগুলো সত্যি ছিল, সেগুলো কি কখনো মিথ্যা হয়ে যায়? অন্যদিকে সিমির মনেও জমছে অপরাধবোধ। ইমরান রুহুলের দেশে ফেরার কথা সে শুভকে জানায়নি। একদিকে ইমরানকে এড়িয়ে যেতে পারছে না, অন্যদিকে শুভকেও ছাড়তে পারছে না। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিমি ও ইমরানের একসঙ্গে ছবি দেখে শুভ বুঝে যায় সবকিছু। রাগ কিংবা অভিমানে নয়, বুকের ভেতর চাপা কষ্ট নিয়ে বেহালায় বিষাদের সুর তোলে শুভ। আর সেই সুরের আড়ালেই তিস্তা অনুভব করে তার জীবনের গভীর সংকট। মাতৃত্ব, পুরোনো স্মৃতি, অপূর্ণ ভালোবাসা, সম্পর্কের টানাপোড়েন আর মানুষের জীবনের নীরব অনুভূতিগুলোকে ঘিরে ‘মনে রবে’—কিছু সম্পর্ক শেষ হয়ে গেলেও যাদের স্মৃতি সত্যিই মনে রয়ে যায়, তাদের গল্প।
অনেক বেশি আগ্রহ নিয়ে পড়ার জন্য বইটা কিনেছিলাম। পাঠকের জায়গা থেকে মনে হয়েছে বইটা অনেক তাড়াহুড়ো করে শেষ করা হলো। তিস্তাকে বেশিই ভালো দেখানো হয়েছে যেটা গল্পের আমেজ ধরে রাখতে পারেনি। মনে হয়েছে তিস্তা কোনো মিশনে এসেছে। সেগুলো শেষ করতে হবে। বেশিই আর্টিফিসিয়াল লেগেছে গল্পটা। আরও গুছিয়ে চরিত্রগুলো ফুটিয়ে তোলা যেতো।
Read all reviews on the Boitoi app