

“আ... আপনি?” রুবির জগতে ক্ষ্যাপা টর্নেডোর ন্যায় আঘাত হানা পুরুষটি পাথরের ন্যায় নিস্তরঙ্গ, নির্বিকার। তার কাজলকালো চোখে কঠোর দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বলল শীতল কণ্ঠে, “আমি না বলা পর্যন্ত এই ঘর থেকে বের হবে না।” বিস্ময়ের আতিশয্যে বিভোর রুবি নির্দেশ প্রতিপালনের নিশ্চয়তা না দিয়েই ছুঁড়ে দেয় দ্বিতীয় প্রশ্ন, “আপনি এখানে কী করছেন?” প্রশ্নের পিঠে প্রশ্ন ছুঁড়ে সাহিল বলল, “বাড়িতে আজ আয়োজন কীসের?” শুকনো ঢোক গিলে রুবি বলল, “আমাকে দেখতে এসেছে।” রুক্ষ ঠোঁটের কোণে ভীতিকর সূক্ষ্ম হাসির রেখা টেনে সাহিল বলল, “দেখতে যাতে না পারে সেই ব্যবস্থা করতেই এসেছি।”
"মেইন লিড সাহিল-রুবি হলেও অবনী আর শুভ্রের চরিত্র মুগ্ধ করেছে। স্পেশালি অবনী। একটা মেয়ে যে রূপে,গুণে, শিক্ষায় অনন্যা, তার মধ্যে নেই কোনো অহংকার, কি মাটির মানুষ সে! আর শুভ্র, বড়লোক বাবার ছেলে হলেও খারাপ ছিলনা। কিন্তু রুবি তার সাথে যা করলো। কারো ভালোবাসা নিয়ে খেলার অধিকার রুবিকে কে দিয়েছে? স্বার্থপর মেয়ে একটা। নিজের দোষেই সাহিল কে হারিয়েছে, আবার শুভ্রর সাথে ভালোবাসার অভিনয় করলো নিজের স্বার্থের জন্য। সাহিলের প্রতি কোনো অভিযোগ নেই, রুবি যা করেছে তার জন্য রুবির এটা প্রাপ্য ছিল। পরিশেষে অবনী, শুভ্র দুজনেই তাদের ভালোবাসার মানুষের সাথে সুখী আছে দেখে ভালো লাগল আর রুবি আবার ও সাহিলকে জয় করে নিয়েছে। ওদের সকলের সংসারজীবন সুখে কাটুক।😊"
Etto etto vlao laglo boi ta ,eke bare boi e bud hoiya chilam.Lekhika ke onek valobasa.
Read all reviews on the Boitoi app
মেইন লিড সাহিল-রুবি হলেও অবনী আর শুভ্রের চরিত্র মুগ্ধ করেছে। স্পেশালি অবনী। একটা মেয়ে যে রূপে,গুণে, শিক্ষায় অনন্যা, তার মধ্যে নেই কোনো অহংকার, কি মাটির মানুষ সে! আর শুভ্র, বড়লোক বাবার ছেলে হলেও খারাপ ছিলনা। কিন্তু রুবি তার সাথে যা করলো। কারো ভালোবাসা নিয়ে খেলার অধিকার রুবিকে কে দিয়েছে? স্বার্থপর মেয়ে একটা। নিজের দোষেই সাহিল কে হারিয়েছে, আবার শুভ্রর সাথে ভালোবাসার অভিনয় করলো নিজের স্বার্থের জন্য। সাহিলের প্রতি কোনো অভিযোগ নেই, রুবি যা করেছে তার জন্য রুবির এটা প্রাপ্য ছিল। পরিশেষে অবনী, শুভ্র দুজনেই তাদের ভালোবাসার মানুষের সাথে সুখী আছে দেখে ভালো লাগল আর রুবি আবার ও সাহিলকে জয় করে নিয়েছে। ওদের সকলের সংসারজীবন সুখে কাটুক।😊
অতন্দ্রিলার লেখা বরাবরই সেরা, টনিকের নাম যেমন ইন্টারেস্টিং তেমন এটার টুইস্টগুলোও একদম টানটান সাসপেন্স এর ❤️❤️
তন্দ্রি আপুর লেখা মানেই চমৎকার কিছু! অনেক অপেক্ষার পর সাহিল-রুবি কে পড়বো এবার 🫶🏻
অতন্দ্রিলার লেখা বরাবরই চমৎকার। বাকি লেখাগুলোর মতোই 'টনিক' দারুণ একটা লেখা।প্রথমবার পড়েই আমি রুবায়েত - সাহিলের ফ্যান হয়ে গিয়েছি🥹 অনুভূতিহীন সাহিলের জীবনে রুবির আগমনের কারণে ওর ওর হৃদয়ে ভালোবাসার যে বীজ রোপিত হয়েছিলো সেই ভালোবাসার জোরেই দুইজন মানুষ একে অপরকে ভালোবেসে গেলো। সবসময় নিজেকে স্ট্রং দেখানো রুবি সাহিলের সংস্পর্শে এলে কিশোরী হয়ে উঠে নিজের মনের সবকথা মন খুলে নির্দ্বিধায় বলে দিতে পারে। রুবির কাছে ভরসার আরেক নাম সাহিল।দুইজন ভালোবাসার মানুষ একে অপরকে এত এত ভালোবাসলো কিছু ভুলবোঝাবুঝির কারণে সাময়িক দূরত্বকে আপন করে নিয়েও কেউ কাউকে ভালোবাসায় ইস্তফা না দিয়ে নিজের মতো করে ভালোইবেসে গিয়েছে শুধু। একটা ঘটনার রেশ ধরে দুজনে একে অপরের কাছ থেকে দূরে চলে গেলেও মনের গোপনে লালিট ভালোবাসাকে ম্লান হতে দেয়নি বরং দূর থেকেই ভালোবেসে গিয়েছে অপর পাশের মানুষটাকে। রিভিউ দেওয়াতে আমি বরাবরই কাচাঁ। শুধু শেষে এটাই বলতে চাইই এই জুটিকে বইয়ের পাতায় চাইইই🥹 এরা আমার নেশায় পরিণত হয়ে গিয়েছে অলরেডি🥹🫠
অতন্দ্রীলার লেখা মানেই অন্যরকম কিছু। খুবই এক্সাইটেড। ফ্ল্যাপ না পড়েই কিনে ফেললাম, আপুর লেখা বলে কথা! এত সুন্দর একটা সম্পর্ক ঘেঁটে গেল ভুল বুঝাবুঝিতে! ফলস্বরূপ ২ বছরের বিচ্ছেদ আর বেদনা। আর পাঠকদের হৃদয়ে অসহ্য টানাপোড়েন! রুবির প্রতি সাহিলের স্নেহের ফল্গুধারা অন্যরকম ভাললাগার সৃষ্টি করে। আর রুবায়েত চরিত্রটি - আনপ্রেডিক্টেবল, ঝরনার মত উচ্ছল আর বোল্ড অথচ নিজ স্বপ্নপুরুষের কাছে যেন অভিমানী কিশোরী। দুজনের কেমিস্ট্রি অসাধারণ লাগল। আপুকে অশেষ ধন্যবাদ 🫰🫰🫰