

হাসান তার সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে সিলেটের পাহাড়ি এলাকায় একটা বাংলো বাড়ি কেনে। মূলত স্ত্রী লাবনীর ইচ্ছেতেই বাড়িটি কেনা। তাদের একমাত্র মেয়ে অর্থী ক্লাস সেভেনে পড়ে। বাড়িটি দেখে সবার ভীষণ পছন্দ হয়ে যায়। এক পাশে মেঘালয় পাহাড়। বাড়ির সামনে বড়ো সবুজ লন। নতুন বাড়িতে ওদের শুরুটা ভালো হয়। কিন্তু কিছুদিন পরেই ছোটখাটো কিছু অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটতে থাকে। যত দিন গড়ায় অস্বাভাবিকতার মাত্রা বাড়তে থাকে। তাদের একমাত্র মেয়ে অর্থীর সঙ্গে ভয়ংকর সব ঘটনা ঘটতে থাকে। মাওলানা একরাম উল্লাহ এসে বলেন এখানে একটা পাপ আত্মা আছে যার জন্য এমন হচ্ছে। শুরু হয় অশরীরী আত্মার সঙ্গে ভয়ংকর এক লড়াই। কে জিতবে? জানতে হলে গা হিম করা পুরো গল্পটা পড়তে হবে।
"দারুণ হয়েছে গল্পটা। রাতের বেলা পড়ে তো সেই ভয় পেয়েছি 😄😄 সুবাস ভাইয়া আপনি আরো বেশি বেশি হরর গল্প লিখুন। আপনার হরর গল্প সেই জমজমাট হয়।"
আমার কাছে হরর গল্প থেকে থ্রিলার গল্প বেশী ভালো লাগে কিন্তু আপনার লেখা তো মিস করতে পারি না ভাইয়া। ভালো লাগলো বেশ। আর এটাই আমার প্রথম ই বুক এর অভিজ্ঞতা।
Read all reviews on the Boitoi app
দারুণ হয়েছে গল্পটা। রাতের বেলা পড়ে তো সেই ভয় পেয়েছি 😄😄 সুবাস ভাইয়া আপনি আরো বেশি বেশি হরর গল্প লিখুন। আপনার হরর গল্প সেই জমজমাট হয়।
প্রথমে একটা গতানুগতিক ভূতুড়ে গল্প বলেই মনে হচ্ছিল। পরে সে গল্প ভূত, জিন, আত্মা, ধর্ম এবং বিজ্ঞান - সব মিলে দারুণ জমজমাট একটা গল্পে পরিণত হয়েছে। ভালো লেগেছে "পাপাত্মা"।
এক কথায় অনবদ্য। সুবাস ভাইয়ের হরর থ্রিলার মানেই একইসাথে সাসপেন্স, টুইস্ট ও টানটান উত্তেজনা। রহস্য সমাধানের পাশাপাশি এই গল্পের নেপথ্যে থাকা হৃদয়বিদারক ইতিহাস পাঠককে মন্ত্রমুগ্ধের মতো আচ্ছন্ন করে রাখতে বাধ্য। এবং একইসাথে যেকোনো গল্প লিখতে যেয়ে সেই গল্পে লেখকের পার্সোনাল রিসার্চের প্রতিফলনও বেশ প্রশংসার দাবিদার। সব মিলিয়ে বেশ সুখপাঠ্য ও ঝরঝরে লেখনী।
অসাধারণ!! একটানা গল্পটা পরে শেষ করলাম। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খুব আগ্রহ নিয়ে পরেছি।
দুর্দান্ত একটা প্লট—‘পাপাত্মা’! ভাবতেই পারিনি, কে এই পাপাত্মা এবং কেনই বা তার অস্তিত্ব! আর অর্থিদের বারবার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসার কারণই বা কী—এই প্রশ্নগুলো গল্পের প্রতিটি বাঁকে আমাকে আরও গভীরে টেনে নিয়ে গেছে। গল্পের কাহিনি যেভাবে ধীরে ধীরে এগিয়েছে, সেই সঙ্গে রহস্যের নিগূঢ় তথ্য অনুসন্ধান করতে করতে একসময় মনে হচ্ছিল, আমিও যেন গল্পেরই একজন চরিত্র হয়ে গেছি। কড়ই গাছের নিচের সেই দোলনার দুলুনি, রাত ৩টার পর অশুভ আত্মার আস্ফালন, কিংবা উল্টো হয়ে থাকা সেই ভয়ংকর পাপাত্মার অবয়ব—সবকিছুই যেন চোখের সামনে বাস্তবে দেখতে পাচ্ছিলাম! উফফ! এমন এক পরাবাস্তব, শিহরণ জাগানো প্লটকে লেখক যেভাবে শব্দের জাদু আর মন্ত্রমুগ্ধ বর্ণনায় বাস্তবের মতো করে উপভোগ করিয়েছেন, সেটা সত্যিই অসাধারণ। পড়তে পড়তে কখন যে গল্পের ভেতরে ঢুকে গিয়েছিলাম, টেরই পাইনি! অসম্ভব দারুণ একটি কাজ। 👏 হ্যাটস অফ, শ্রদ্ধেয় লেখক! ধন্যবাদ আপনাকে। 🎩❤️
এক নি:শ্বাসে বইটি শেষ করলাম। কি সাংঘাতিক ঘটনা। ভালো লাগা অবিরাম। এভাবেই সুন্দর সুন্দর গল্প দিতে থাকুন। এই বইয়ের সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয় টা হচ্ছে একজন পাপাত্মা আরেকজন পূণ্য আত্মা। গল্পের প্রতিটি লাইন খুব ইন্টারেসটিং, তবে ভাবতেও পারিনি এমন একজন ছাত্র এত সুন্দর সমাধান নিয়ে আসবে।তাই জীবনে কাওকে ছোট করে দেখতে নেই, এই বয়সী একটা ছেলেও যে অনেক ভালো কিছু করার ক্ষমতা রাখে সেটাই শিক্ষা দিয়ে যায় গল্পটা।
হরর গল্পের মূল উদ্দেশ্য শুধু পাঠককে ভয় দেখানো নয়; বরং অজানা, অতিপ্রাকৃত, রহস্যময় কিংবা অস্বাভাবিক কোনো কিছুর মাধ্যমে পাঠকের মনে ভয়, অস্বস্তি ও উৎকণ্ঠা তৈরি করা। একটা ভালো হরর গল্পের সবচেয়ে বড় সাফল্য তখনই, যখন বই পড়ার সময়ের ভয়টা বই বন্ধ করার পরও কিছুটা থেকে যায়। আর সত্যিকার অর্থে সেই ভয় তৈরি করা মোটেই সহজ নয়। পাপাত্মার ক্ষেত্রে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটা গা ছমছমে ব্যাপার ছিল। কাহিনীর গঠনও বেশ মজবুত লেগেছে। বিশেষ করে একটা পাপাত্মা আর একটা পবিত্র আত্মা, এই ধারণাটা বেশ ইন্টারেস্টিং। চোখ ধাঁধানো রোদে, ভর দুপুরে, এক নিঃশ্বাসে বইটা পড়ে শেষ করার পরও কেমন যেন ভয় ভয় লাগছিল! ধর্মীয় রীতি ও বিশ্বাসের সঙ্গে বিজ্ঞানের সমন্বয়ে সমাধানটা আমার কাছে খুব সুন্দর লেগেছে। গল্পের রহস্যের সমাধানটাও তাই বেশ satisfying মনে হয়েছে। সব মিলিয়ে, আমি personally ভীষণ enjoy করেছি। লেখক হাবিবুর রহমান সুবাসকে অনেক শুভেচ্ছা।