

যদি একদিন আয়নায় নিজের মুখের বদলে দেখতে পান এমন এক সত্য, যা আপনি কোনোদিন মনে করতে চাননি? যদি বাস্তবতা, স্মৃতি আর মনের গভীর অন্ধকার একে অপরের সঙ্গে মিশে গিয়ে প্রতিটি মুহূর্তকে সন্দেহের মধ্যে ফেলে দেয়? এক শান্ত বিকেলের থেরাপি রুমে এসে হাজির হয় মানসিক যন্ত্রণায় জর্জরিত তরুণ রাহাত। তার দাবি—সে নাকি কাউকে খুন করেছে, কিন্তু সেই মৃত মানুষের মুখ তার মনে নেই! আরও ভয়ংকর বিষয় হলো, তার নিজের প্রতিবিম্বই নাকি আয়নার ওপার থেকে তাকে তাড়া করে ফিরছে। আয়নার প্রতিবিম্ব যখন আলাদাভাবে হাসে, তখন যুক্তি আর বিভ্রমের মাঝখানের রেখাটি মুছে যায়। ডা. সামিহা যখন হাল ছেড়ে দেন, তখন রহস্যের গভীরে পৌঁছাতে প্রবেশ করেন মিসির আলী স্যারের যোগ্য ছাত্র প্রখ্যাত সাইকোলজিস্ট ড. ইরফান নওরোজ নূর। রাহাত কি সত্যিই কোনো খুনি, নাকি নিজেরই অবচেতন মনের তৈরি এক মায়াজালের শিকার? মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন ও সম্পর্কের গভীরতা ছোঁয়া এমন এক থ্রিলার উপাখ্যান ‘প্রতিবিম্ব’, যেখানে প্রতিটি সংলাপ, প্রতিটি নীরবতা এবং প্রতিটি প্রতিফলনের আড়ালে লুকিয়ে আছে নতুন প্রশ্ন। উত্তর খুঁজতে গিয়ে পাঠক বারবার হারিয়ে যাবেন যুক্তি, অপরাধবোধ ও মানসিক রহস্যের গোলকধাঁধায়। মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন, শৈশবের ট্রমা এবং ভালোবাসার শক্তিতে গড়া এই ‘প্রতিবিম্ব’ গল্পটি আপনাকে এক রহস্যময় গোলকধাঁধায় নিয়ে যাবে। শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত টানটান উত্তেজনা ধরে রাখা এই গল্পটি আপনাকে ভাবতে বাধ্য করবে—সবচেয়ে ভয়ংকর মুখটি কি সত্যিই আয়নার ওপাশে, নাকি নিজের ভেতরেই?
খুব ভালো লাগলো।
Read all reviews on the Boitoi app