

ঢাকার ব্যস্ত, পরিচিত জীবন থেকে সাত দিনের ছুটি নিয়ে শ্রীমঙ্গলের গভীর অরণ্যে পা রাখে তিন তরুণী—লাবণ্য, রুহি আর শায়লা। একজন বেপরোয়া, একজন ভীতু অথচ কৌতূহলী, আর অন্যজন যুক্তিবাদী ও ঠান্ডা মাথার। তাদের হাতে একটি পুরোনো চিঠি, আর সেই চিঠির সূত্র ধরে গন্তব্য শতবর্ষী এক রহস্যময় ব্রিটিশ বাংলো, চুনামাটি লজ। ঘন কুয়াশা, বুনো লতাপাতা আর নিস্তব্ধ সেগুনবাগানে ঘেরা এই বাংলোকে ঘিরে ছড়িয়ে আছে এক ভয়ংকর কিংবদন্তি। কথিত আছে, পূর্ণিমার রাতে বৃষ্টি নামলে বাংলোর পেছনের মাটির নিচ থেকে শোনা যায় কাচের চুড়ির রহস্যময় শব্দ। সেই শব্দ অনুসরণ করে যারা এগিয়ে যায়, তারা নাকি প্রকৃতির এমন এক অচেনা রূপের মুখোমুখি হয়, যেখান থেকে সবাই ফিরে আসতে পারে না। আরও আছে বহু পুরোনো এক অসমাপ্ত কাহিনি। সুন্দরী ভায়োলেট, তার ঈর্ষাপরায়ণ স্বামী এডওয়ার্ড ক্লার্ক এবং এক পূর্ণিমার রাতে ঘটে যাওয়া এক রহস্যময় অন্তর্ধান। তারপর থেকে বাংলোর সেগুনবাগানে নাকি মাঝরাতে ভেসে আসে অদ্ভুত শব্দ। তিন তরুণী কি সত্যিই কোনো অতৃপ্ত আত্মার মুখোমুখি হতে যাচ্ছে? নাকি শত বছরের পুরোনো এই ভয়াবহ কাহিনির আড়ালে লুকিয়ে আছে আরও ভয়ংকর কোনো মানবিক সত্য?