

মানুষে মানুষে, জীবনে জীবনে অনেক তফাৎ। দূর থেকে দেখলে সব কিছুই রঙিন মনে হয়। সবাইকে নিজ নিজ জীবনে অনেক বেশি সুখী মনে হয়। কিন্তু কাছে গিয়ে উঁকি দিলে বুঝায় যায় জীবনে জীবনে কত পার্থক্য। প্রত্যেকটা জীবন একে-অপরের থেকে ভিন্ন। কারো জীবন সরল রেখায় চলে তো কারোটা বা চলে বক্ররেখায়। কেউ খুব সহজেই সব পেয়ে গেলেও কাউকে কাউকে দূর্গম পথ পাড়ি দিয়ে তা অর্জন করতে হয়। কেউ ঠেকে শিখে, কেউ বা ঠকে। তবু এক চেটিয়া কেবল দুঃখ বিলাশ করতেই কেউ পৃথিবীতে আসে না। ক্ষণিকের জীবন এই পৃথিবীতে মানুষকে সবরকম অনুভূতির স্বাদ গ্রহণ করতে হয়। কারো কারো ক্ষেত্রে সুখের পরিমাণটা বেশি হলে কারো কারো ক্ষেত্রে দুঃখের পরিমানটা বেশি হয়। সুখ, দুঃখ, আনন্দ, কষ্ট সব কিছু মিলিয়েই আমাদের এই ছোট্ট জীবন যা আপাতঃ দৃষ্টিতে অনেক বড় লাগে। হোক সুখ অথবা দুঃখ কোনোটাই মানুষের জীবনে চিরস্থায়ী হয় না। দুঃখ যদি দীর্ঘও হয় তবু দিন শেষে সুখ আসবেই। তবে সুখ এমনি এমনি আসে না। মানুষকে জীবনের কাছে নত হতে হয়৷ নিজ ভাগ্য স্বীকার করতে হয়। আশা রাখতে হয় একদিন দিন ঘুরবেই। কঠিন অধ্যাবসায় করতে হয়। তবেই একদিন দুঃখ নামক কঠিন পর্বত ভেদ করে সুখ দেখা দেয় ভোরের আলোর রূপে। আশা রাখলে, চেষ্টা করলে সব সম্ভব। ভালো থাকা সম্ভব। সুখ পাওয়া সম্ভব। কেবল প্রয়োজন চেষ্টার। অসম্ভব বলতে এই জীবনে কিছু নেই।
। জেসির মতো মেয়েরা টাকার গর্বে সাধারণ মানুষদের মানুষ বলেই মনে করে না। তাদের আত্মম্ভরিতা আর অহংকার সম্পর্কের মূল্য ভুলিয়ে দেয়। আর ঠিক বিপরীতে, আফসানার মতো সাদাসিধে, মায়াভরা মেয়েরা ভালোবাসতে জানে নিঃস্বার্থভাবে—তবে দিন শেষে তারাই হারিয়ে যায় অবহেলার অন্ধকারে। আফসানার ভালবাসা ছিল গভীর, কিন্তু তার প্রাপ্তি ছিল না। রাতুল চরিত্রটা নিয়ে বলতে গেলে, সে নিজের সীমাবদ্ধতা, কষ্ট, আর বাস্তবতাকে সঙ্গে নিয়েই এগিয়ে গেছে মাথা নিচু করে—কারণ সে জানে, মাথা নিচু করা শেখা না গেলে, জীবনের রুক্ষ রাস্তায় কখনো মাথা উঁচু করে হাঁটা যায় না। আর সামিরা চরিত্রটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। সে নিজের আবেগকে প্রাধান্য না দিয়ে, রাতুলের জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে বুঝেছে—আর এটাই তাকে আরও অসাধারণ করে তোলে। সে জানতো, ভালোবাসা মানে শুধু পেয়ে যাওয়াই নয়, প্রিয়জনের শান্তি রক্ষা করাও।
Read all reviews on the Boitoi app
আজ থেকে আমিও পড়তে বসবো রাতুলকে পড়ে এটাই প্রথমে মাথায় আসছে🙂🙂🙂
জেসির মত বড়লোকের মেয়েরা মানুষকে মানুষ ভাবে না।আফসানার মত মেয়েরা ভালবেসে দিন শেষে এভাবেই ঠকে যায়।রাতুল চরিত্র টা অসাধারণ ছিল।জীবনে বড় হতে হলে অনেক সময় মাথা নিচু করে নিতে হয়।তবেই তো একদিন মাথা উচু করে চলতে পারবে।সামিরার একতরফা ভালবাসা সত্যিই প্রশংসার।সে তার ভালবাসা প্রকাশ করে রাতুলের জীবনটা আরো কঠিন করে তুলতে চায়নি।খুব ভাল লেগেছে গল্পটা।তবে রাতুলের বাবার মতো মানুষের শাস্তি পাওয়ার ছিল।
Amazing book. Loved it so much
খুব সুন্দর একটা গল্প 💖💖💖💖
আহা❣️❣️❣️❣️ হোক গল্প তাও বাস্তব একটা চিত্র এর মধ্যে সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে ইতি আপু, আসলে struggling অনেক কঠিন জিনিস কিন্তু after achieving the aim struggling works like emotion. গল্পটা এক কথায় অনবদ্য ❤️
ইবুকটা ভালোই লেগেছে তবে..... আমার দুঃখের কথা আর কি বলবো।এমনকি আমার এক পর্যায়ে কান্না করতে মন চাচ্ছিল। পড়ছিলাম ভালো লাগছিলো কিন্তু শেষে রাতুল আর সামিরার যখন মিল হয়ে গেলো তখন আমি ভাবছিলাম,,""বইটা তো ৬৬ পাতার কিন্তু আমি তো মাত্র ১১ পাতায় আছি। কিন্তু কাহিনী তো শেষের পথে লেখিকা আবার কি লিখছে?"" ও মা এই সব ভাবতে ভাবতে দেখি আর নিচে যায় না। বেশ কিছুক্ষন ঘাটাঘাটি করার পড় বুঝলাম ইবুকটা ১১ টা অধ্যায় শেষ যেটা আমি এতো ক্ষণ পাতা মনে করে পড়ছিলাম লেখিকা আমি তোমার সেই পাঠক যে তুমি ফেসবুকে ইবুক পাবলিশের আপডেট পোস্ট করলেই তোমার পোস্টে কমেন্ট করতো ,"" ইবুক পড়তে ভালো লাগে না। প্লিজ তাড়াতাড়ি নতুন বই বের করো।"" আশা করি চিনতে পেরেছো। সত্যিই আমার ইবুক ভালো লাগে না তবে তোমার লেখা না পড়ে থাকতে পারিনি। তাই কিনে পড়তে শুরু করেছি। খুব তাড়াতড়ি """ভালোবেসে সখি নিভৃতে যতনে"""" পড়া শুরু করবো। শুভ কামনা লেখিকা আগামী বই বা ইবুকের জন্য।