

অতিকায়-বামনাকৃতির পাকুর গাছটার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে, ঘুমপুর বাজারের নৈশগ্রহরী ছোরাব আলী। রাতের নীরবতাকে খান খান করে ডেলে দিয়ে, অদ্ভুত এক গগন বিনারী ডাক নিয়ে হারিয়ে যায়, নাম না জানা কনো এক নিশাচর পাখি। ছোরাব আলী যেন অদ্ভুত এক যাদুকর, কোথা হতে আমাকে তুলে নিয়ে এসেছে। তার হাজার বছরের একাকিত্বের গল্প শোনাবার জন্য। আমি যেন তার গল্পবন্দী। সে শুধু বলেই চলেছে, একটার পর একটা গল্প। তার হাজারটা গল্প। ছোরাব আলীর জ্বালিয়ে দেয়া আগুনের লেলিহান শিখার দিকে তাকিয়ে, আমি আমার ভেতরের আমিটাকে অনুভব করতে থাকি। দাঁউ দাঁউ করে জ্বলছে বুকের ভেতরের ভয়ানক সেই অগ্নিকুন্ডটা।