

বাবাকে সাথে নিয়ে অদিতি এসেছে প্রেমকুঞ্জের এক মেসবাড়িতে। মালিকের বাসাসংলগ্ন হওয়ায় অদিতির বাবার ছাত্রীনিবাসটিকে বেশ পছন্দ হয়। তাছাড়া মেসমালিক দাদুকেও বেশ আন্তরিকপ্রাণ মনে হয় তাদের। মেসবাড়িতে আসার প্রথমদিনেই প্রবেশমুখের অদ্ভুত লোহার গেটটি বাধ সাধে অদিতির। ওড়নার কোনা আটকে যায় লোহার চিপায়। পরের দিনও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। অজানা কারণে সিনিয়র রুমমেট রেহানা আপুসহ বাকী রুমমেটরা অদিতির সাথে তেমন মিশতে চায় না। বিকেল হলেই পুরো মেসের ছাত্রীগুলো অদিতিকে একা রেখে কোথায় চলে যায়? লোহার পুরনো গেটটিতেই বা বারবার ওড়না আটকে যাওয়ার কারণ কী? প্রিয় পাঠক, টানটান রহস্যময় এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে পড়তে হবে মিনা শারমিনের লেখা সোশ্যাল থ্রিলার জনরার '২০/৪ প্রেমকুঞ্জ ছাত্রীনিবাস' ইবুকটি।
গল্পটা এক কথায় অসাধারণ। এক বসায় পড়ে শেষ করেছি। শেষের টইস্ট দারুণ ছিল।
Read all reviews on the Boitoi app
প্রেম আর বন্ধুত্বের মাঝখানে অস্পর্শিক যে সম্পর্ক বোনা যায় আমরা সেখানেই দাঁড়িয়ে। প্রেমকুঞ্জ সড়কটি আমাদের অস্পর্শিক নাম না দেওয়া সম্পর্কটিকে একটু একটু করে বাঁচিয়ে রাখে রোজ ll অসাধারণ লাগছে কথা টা 😍 পুরো লেখাটাই দারুন ছিলো??? একটা প্রশ্ন মনে উদ্ভব হলো লেখকের নিকট জানার ইচ্ছা। মাংসের ভুর ভুর গন্ধ টা কি নরমাংসের 🥴
শেষ হওয়ার পরও আসলে বুঝতে পারিনি, শেষ হয়েছে। অবশ্যই এক বসায় পড়েছি। প্রতিটি লাইন পড়ার পর মনে হয়েছে পরের লাইন কি হবে। যথেষ্ট সাস্পেন্স ছিল লেখায় এবং শেষে দারুণ একটা টুইস্ট ছিল
Sundor
শুরুতে মনে হচ্ছিল স্বাভাবিক একটি মেস লাইফের গল্প, কিন্তু গল্পের শেষ এসে মনে হলো অদিতি যেন একটি নতুন জীবন ফিরে পেলো।
বইটি আমার খুব চমৎকার লেগেছে,, ♥️♥️♥️♥️
অসাধারণ লাস্ট লাইন পড়ে আমারও এখন বমি পাচ্ছে🤮🤮 তার মানে মানুষের মাংস!
গল্পের শুরুতে মনে হয়েছে স্বাভাবিক মেসবাসা বা হোস্টেলের জীবনযাত্রা নিয়ে হয়ত কাহিনি এগিয়ে যাবে। কিন্তু দুই পর্ব পড়ার পরই বুঝতে পারলাম এখানে অন্য মসলা কষানো হচ্ছে। অদিতির সাথে আমারও মনে একটু একটু করে সন্দেহ বাড়তে লাগলো। এক পর্যায়ে তুফানের আগমন ঘটে তারপরই ভয় হয় অদিতির জন্য। তুফান কি আসলেই অদিতির জন্য ভয়ানক হবে? গল্পের শেষে যে রহস্য উদঘাটন হয় তা ধারনার বাইরে ছিলো। এরই মধ্যে রেহানার সাথে ঘটে যায় এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। শেষটা একটু তাড়াহুড়োয় লেখা হয়েছে বলে আমার মনে হয়েছে। শুরুটা যততটা গোছানো ছিলো শেষটা ততটাই ধোয়াশা। আরও একটু জানতে ইচ্ছে করেছে প্রেমকুঞ্জ নিয়ে। সব মিলিয়ে ভালো লেগেছে।
চমৎকার গল্প। একটানে পড়ে ফেললাম। শেষ মুহূর্তের টুইস্ট দারুণ লেগেছে। গল্প টেনে নেওয়ার পথ খুব বাস্তবিক লেগেছে। আশাকরি লেখকের আরও নতুন গল্প আমরা পড়তে পারবো। লেখকের জন্য অফুরান ভালবাসা ও শুভকামনা।
গল্পটার নামই প্রথমে আমাকে আকর্ষণ করে। মেসের ছোটোখাটো কাহিনীগুলো নিজের হোস্টেল জীবনের স্মৃতিকে যেন কিছুটা তাজা করে দিয়ে গেল! সেই সাথে শেষের চমকটুকু গল্পটিকে দিয়েছে এক ভিন্ন মাত্রা। আর গল্পের শেষে একরাশ বিষন্নতা ঘিরে ধরেছিল। সবমিলিয়ে ভালো লাগার মতো একটা গল্প।