

অনবরত তাঁরা'র ফোনটা বেজে যাচ্ছে। কেউ রিসিভ করছে না। চাঁদের মেজাজ বিগড়ে গেলো মুহূর্তেই। তাঁরা জানে, এই সময় চাঁদ কল করলে, তাহলে গেলো কোথায় ওর বউ? এদিকে দলের ছেলেপুলে'রা অবুঝ চোখে তাদের চাঁদ ভাই'কে দেখে যাচ্ছে। গম্ভীর, রাগচটা চাঁদ ভাই এতটা অস্থির। এতটা ব্যাকুল চিত্তে কাউকে কল করে যাচ্ছে। রিসিভ না হওয়াতে কেমন ছটফটিয়ে উঠছে। কপালে তার ঘামের বিন্দুগুলো চিকচিক করছে। এবার চাঁদ কল লাগালো সুনিতা'কে। মুহূর্তেই কল রিসিভ হলো। চাঁদ গম্ভীর কণ্ঠে জানতে চাইলো, "ভাবী, তাঁরা কই?" "তোর বউ তো গাছে রে চাঁদ।"
"চাঁদ-তাঁরা পড়ার পর ওদের ভালোবাসার গল্পটা ভীষণ অপূর্ণ অপূর্ণ লাগতো। অমৃতাংশু নক্ষত্র পড়ার পর একদম পরিপূর্ণ লাগছে।আমি বরাবরই লেখিকা আপুর লেখার ভক্ত। তার লেখা কখনো আমাকে অন্তত হতাশ করে না।এই গল্পটিও করেনি।গল্পটা ভীষণই সুন্দর হয়েছে।চাঁদ তাঁরার ভালোবাসাটা আমাকে মুগ্ধ করেছে।ছোট্ট তাঁরাকে ভালোবাসার মাধ্যমে নিজের করা, তাঁরার প্রতি এত এত যত্ন, সম্পর্ককে স্বাভাবিক করতে সময় দেয়া,প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও নিজের সহধর্মিণীকে তার লক্ষ্য পূরনে সবার্ত্মক সাহায্য করা এই সবকিছুর মাধ্যমে চাঁদকে আরও ভালোলাগার ব্যক্তিত্বে পরিনত করলো।মূলত তাঁরাকে তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য চাঁদের তাঁরার হাত ছেড়ে না দেয়াটা আমাকে অনেক মুগ্ধ করেছে।আশা করি লেখিকা আপু ভবিষ্যতে আরও সুন্দর সুন্দর ই-বুক নিয়ে আসবেন।ভালোবাসা রইলো⭐🌙✨"
অসম্ভব সুন্দর হয়েছে।
Read all reviews on the Boitoi app
মনোমুগ্ধকর লেখনী ছিল। তোমার শব্দের মাধুর্য মুগ্ধ করার মতো।। তোমার গল্পের সুবিন্যস্ত ব্যাখ্যা মন কাড়া। মাধুর্যপূর্ন শব্দের ব্যবহার মনকে এক আলাদা প্রশান্তি দান করে।
শুরুটা চাঁদের এগ্রেসিভনেস,ওভারপজেসিভনেস দিয়ে শুরু হলেও শেষটা হয়েছে একজন দায়িত্বশীল স্বামী - বাবা রুপে।কিছুটা নাটকীয় মনে হয়েছে কয়েক জায়গায়।
পড়েছি আরও এক সপ্তাহ আগে।আজকে রিভিউ লিখতে বসলাম। তার জন্য সরি।🥲 এখন আসি ইবুক নিয়ে। চাঁদ তাঁরা আর অমৃতাংশু নক্ষত্র পরার পর "চাঁদ-তাঁরা" আমার পছন্দের জুটির তালিকায় যোগ হলো। প্রথমে চাঁদের উপর খুব রাগ হয়েছিলাম।কথায় কথায় তাঁরাকে মারে,রাগ দেখায়,অধিকার ফলায়। তাঁরা ও যে স্বাধীন পাখির মতো উড়তে ইচ্ছে করে সেটা যেন চাঁদের নজরে পড়ছিলোই না।পরে চাঁদ যখন নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে তখন বেটাকে ভালো লেগেছে।😌 তাঁরা প্রেগন্যান্ট হওয়ার পর আমিও ভয় পেয়েছিলাম যদি চাঁদও সবার মতো পড়ালেখা বন্ধ করতে বলে।কিন্তু না চাঁদ তার বাসর রাতের তাঁরার কাছে দেওয়া ওয়াদা রাখতে পেরেছে। খুব সুন্দর ভিলো ই-বুকটি। তোমার জন্য শুভকামনা। 🥰
চাঁদ তাঁরা পড়ার পরে ওদের নিয়ে আরো পড়ার ইচ্ছে টা পুরোন হলো অমৃতাংশু নক্ষএ পড়ার মাধ্যমে।❤️
Ak kothai osadron akta story apuuuuuuuuuuuuuuuuuuuuuuuuuuuuu 😘😘😘😘😘
চাঁদ- তারার জুটিটা সবসময়ই মনে একটা আলাদা অনুভূতি জাগায়।আহা! তারার প্রতি চাঁদের নেওয়া ছোট ছোট যত্নগুলো বরাবরই মুগ্ধ করে আমায়। জীবনে চলার পথে চাঁদের মতো একজন লাভিং, কেয়ারিং, দায়িত্ববান মানুষ যদি একটা মেয়ের পাশে থাকে তাহলে তো মেয়েটার জীবন আল্লাহ দিলে অনেক সুন্দর হয়। একটা মেয়েটা জীবনের সকল স্বপ্নও পূরণ করতে আশেপাশের মানুষের সাপোর্টের খুব বেশি প্রয়োজন হয়। যা চাঁদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। বলা যায়, তারার স্বপ্ন পূরণে চাঁদের ভূমিকাই ছিল বেশি।সারাদিন কাজে ব্যস্ত থেকেও স্ত্রী সন্তানকে সময় দেওয়া এবং একজন আদর্শ বাবাও স্বামী হয়ে ওঠা। বিষয়টা অসাধারণ লেগেছে আমার।এছাড়াও নিজের স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণ করতে চাঁদের অবদানটা জাস্ট হৃদয়ে গেঁথে যাওয়ার মতো। সবশেষে একটা কথাই বলবো, সব মিলিয়ে গল্প অসাধারণ লেগেছে। তবে আরেকটু বড় হলে আরও বেশি ভালো লাগতো।
অনেক সুন্দর একটা গল্প
কত দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটলো বলে বুঝাতে পারবোনা। মূলত এই ই-বুক টা পড়ার জন্যই বইটই অ্যাপটা ডাউনলোড করেছিলাম। খুবই আগ্রহী ছিলাম এইটা পড়ার জন্য এবং পড়ার পরে এত ভালো লাগছে কীভাবে বোঝাবো আমি জানিনা। পরিশেষে অসংখ্য ধন্যবাদ লেখিকা আপুকে এত সুন্দর করে লিখার জন্য চাঁদ - তারা কে নিয়ে।🖤 অনেক অনেক ভালোবাসা অমৃতাংশু নক্ষত্রের জন্য~🦋🖤
খুব সুন্দর হয়ছে।আমার পড়া বেস্ট গল্প