

সুচির আচরণ স্বাভাবিক নেই। চিনির পরিবর্তে লবন দিয়ে মনিরের জন্য চা করে নিয়ে এসেছে। খবরের কাগজ হাতে সোফায় বসে মনির সুচিকে কাছে ডাকল, "সুচি, কোনো কারণে তুমি ভীষণ নার্ভাস। আচরণে সেটা প্রকাশ পাচ্ছে। চুপচাপ আমার পাশে এসে বস। বল তো, তোমার মুখে ঐ রক্তের ছিঁটে দাগ এলো কোত্থেকে?" "র-র-রক্ত...কোথায় রক্ত? ও-ওহ্ এক্সপেরিমেন্ট করতে গিয়ে আঙ্গুল ফেটে গেছিল। সে-সেই রক্ত ম-মনে হয়। হাহ্ হা..." ব্যাংকার পারভেজ আনোয়ার নিঁখোজ। বিলের কাগজ হাতে কোয়াইট অ্যাপার্টমেন্টের নিজ ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে আর বাসায় ফিরেননি তিনি। কেন ফিরেননি? কী ঘটেছিল তাঁর সাথে... সাংবাদিক মনিরের স্ত্রী সুচি-ই বা কেন এমন এলোমেলো আচরণ করছে? দূরদর্শী তদন্ত অফিসার রাজী কি পারবেন এই নিঁখোজ সমস্যার সমাধান করতে? না-কি তাঁর সামনেই ওঁত পেতে রয়েছে লোমহর্ষক অন্য কোনো ভয়ঙ্কর ঘটনা। ক্রাইম থ্রিলার জনরার 'অ্যাপার্টমেন্ট রহস্য' পাঠে পাঠকদেরকে স্বাগত জানাই।
খুব ভালো লেগেছে। পুরো গল্পটা একটানে শেষ করেছি। আপুর জন্য অনেক অনেক শুভকামনা।
Read all reviews on the Boitoi app
চমৎকার একটি বই। বইটির মাঝামাঝি এসে আমি থমকে গেছিলাম। কিছু সময়ের জন্য আমি দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে কিছু মৃত্যুর ঘটনা স্মরণ করলাম। "অ্যাপার্টমেন্ট রহস্যে" খুনী একজন। আর আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত শত শত খুনি ঘুরে বেড়াচ্ছে। খুন হচ্ছে অসহায় স্বামী, মোহগ্রস্ত গৃহিণী, নিষ্পাপ শিশু ও কাজের মেয়ে। সমাজ সচেতনতা সৃষ্টির জন্য বইটি অসাধারণ। অনেক দোয়া ও শুভকামনা মীনা শারমিন।
মিনা শারমিন আপুর রহস্য গল্প, থ্রিলার বরাবরই চমৎকার। এই গল্পটিও তার ব্যতিক্রম নয়
এক কথায় দারুণ
বাপরে বাপ! টিউশনির নাম করে এত বড় ক্রাইম! সত্যিই দুনিয়াটা পাপে ভরে যাচ্ছে! অভাবনীয় প্লট এবং দূর্দান্ত কাহিনি। শিক্ষণীয় ছিলো।